top of page

জমি সমস্যায় চাঁচল কলেজ, শিক্ষামন্ত্রীর দ্বারস্থ কর্তৃপক্ষ

জমি সমস্যায় বাতিল হতে পারে কলেজের অনুমোদন। এমন হলে সমস্যায় পড়তে হবে হাজারো পড়ুয়াদের। সমস্যায় সমাধানের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর দ্বারস্থ কলেজ কর্তৃপক্ষ।


চাঁচল রাজবাড়ির একাংশে ১৯৬৯ সালে গড়ে ওঠে চাঁচল কলেজ। কয়েকবছর পর চাঁচল রাজ এস্টেট থেকে কলেজকে ৬.৮৬ একর জমি দেওয়া হয়। সরকারি আইনে পরবর্তীতে সেই জমি খাস জমি বলে চিহ্নিত করা হয়। রাজবাড়ির একাংশের রয়েছে চাঁচল মহকুমা আদালতও। সেই জমির মধ্যে ৫.১৮ একর জমি আইন বিভাগে হস্তান্তরিতও করা হয়। সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে কলেজের পেছনের পাঁচিল ভাঙার কাজ শুরু হলে বিষয়টি নজরে আসে কলেজ কর্তৃপক্ষের। ইউজিসির রেজলিউশন অনুযায়ী অন্তত পাঁচ একর জমির না থাকলে কোনও কলেজকে অনুমোদন দেওয়া যায় না। অর্থাৎ চাঁচল কলেজের কাছে পর্যাপ্ত জমি না থাকায় বাতিল হতে পারে অনুমোদন। এতেই সমস্যায় পড়েছে পড়ুয়ারা। পড়ুয়াদের দাবি, চাঁচল মহকুমার এলাকার পড়ুয়াদের ভরসা এই চাঁচল কলেজ। এই কলেজ উঠে গেলে সমস্যায় পড়তে হবে বহু ছাত্রছাত্রীদের।



কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অজিত বিশ্বাস জানান,

বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীকে বিষয়টির ওপর নজর দিতে অনুরোধ করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা কলেজের জমি ভুল করে খাস হয়ে গিয়েছে৷ আশা করা যাচ্ছে দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।



আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

コメント


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page