বিবস্ত্র করে মারধর অন্তঃসত্ত্বাকে
f.jpg

বিবস্ত্র করে মারধর অন্তঃসত্ত্বাকে

সরস্বতী পুজো চলে গিয়েছে। কুল খেতে আর কেউ বারণ করে না। প্রতিবেশীর কুল গাছে পাকা কুল দেখে লোভ সামলাতে পারেনি বছর তিনের বাচ্চা। ঢিল ছুঁড়েছিল সে। আর সেই অপরাধের জন্য মার খেতে হচ্ছে ছোট্ট শিশুটিকে। তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা মা ছুটে এসে ছেলেকে মারের হাত থেকে রক্ষা করতে গেলে তাঁকেও বিবস্ত্র করে মারধর করে ক্ষমতাবান প্রতিবেশীরা। শাসকদলের বড়ো নেতার ঘনিষ্ঠ তাঁর প্রতিবেশী। আর শাসকদলের নেতার নাম জড়িত থাকার কারণে গর্ভবতীকে হাসপাতালে ভরতি নিতে গড়িমসি করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে থানাতেও অভিযোগ দায়ের করার ক্ষেত্রে একই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তাঁদের। মঙ্গলবার রাতের এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মানিকচক থানার উগরিটোলা গ্রামে। তবে বর্তমানে গর্ভবতী মা ও শিশু মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।



নিগৃহীত অন্তঃসত্ত্বা মহিলার নাম বুলি বিবি। অভিযুক্ত প্রতিবেশী শেখ আকতারুল ও তাঁর পরিবার। আকতারুলদের বাড়িতে একটি কুলগাছ রয়েছে। গাছ ভরতি পাকা কুল। সেই গাছের ডাল বুলি বিবিদের বাড়িতে ঝুঁকে রয়েছে। আর সেখান থেকে ঢিল ছুঁড়ে কুল পারার চেষ্টা করে ৩ বছরের সোহেল। সেই ঢিল কুলে আঘাত না করতে পারলেও গিয়ে পড়ে আকতারুলদের বাড়িতে। অভিযোগ এরপরেই শুরু হয় মারধর। আকতারুল ও তার পরিবারের লোকজন বুলি বিবিদের বাড়িতে এসে মারধর শুরু করে। ছেলের চিৎকারে বেড়িয়ে আসেন মা বুলি বিবি। ছেলেকে বাঁচাতে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয়। গর্ভস্থ ছেলেকে বাঁচাতে ঘরের ভেতর ছুটে পালান বুলি বিবি। কিন্তু আকতারুল ও পরিবারের সদস্যরা ঘর থেকে বুলি বিবিকে টেনে এনে বিবস্ত্র করে মারধর করে। অবশেষে প্রতিবেশীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এখানেই শেষ নয়। এবারে শুরু দ্বিতীয় পর্যায়। আহত বুলি বিবি ও তাঁর ছেলেকে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হলে শাসকদলের চাপে হাসপাতালে ভরতি নিয়ে টালবাহানা করেন স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসকরা। একই ঘটনা ঘটে মানিকচক থানাতেও। অবশেষে গ্রামবাসীরা তাঁদের মালদা মেডিকেল কলেজে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানেও তাঁদের ভরতি নিয়ে অস্বীকার করা হয় বলে অভিযোগ। স্থানীয়দের বিক্ষোভ শুরু হয় থানা ও হাসপাতালের সামনে। জনরোষের আঁচ পেয়ে মানিকচক থানার পুলিশ এই ঘটনার অভিযোগ দায়ের করে। মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালও ভরতি নেয় আহতদের।

তবে এনিয়ে মানিকচক এলাকার তৃণমূলের সক্রিয় নেতা শেখ আকতারুল কোনও বক্তব্য দিতে চাননি সংবাদমাধ্যমকে৷ যোগাযোগ করা যায়নি এলাকার তৃণমূল নেতা, মালদা জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি গৌরচন্দ্র মণ্ডলের সঙ্গেও৷

প্রতীকী ছবি সৌজন্যে পিক্স অ্যাবে।


হেডলাইন

প্রতিবেদন

ডিজিট্যাল যুগে বাধ সাধে নি লন্ঠন, যমজ বোনের সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকে

বিদ‍্যুৎ পরিষেবা পেলেও আর্থিক সঙ্কট থাকায় বকেয়া বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বাধ্য হয়েই তিন বছর ধরে লন্ঠনের আলোতেই পড়াশুনা চালিয়েছেন...

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.