top of page

বোর্ডে লেখা ২৩০, স্কুলে উপস্থিত ১৩০। মিড-ডে মিল চুরির অভিযোগ কালিয়াচকে

স্কুলের উপস্থিত পড়ুয়া ১৩০ জন। মিড-ডে মিলের বোর্ডে লেখা রান্না হচ্ছে ২৩০ জনের। ঘটনাটি জানাজানি হতেই স্থানীয় বাসিন্দারা প্রধান শিক্ষককে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। প্রধান শিক্ষকের দাবি, প্রতিদিন এমন সংখ্যায় পড়ুয়ারা আসেন। অনেক সময় গ্রামবাসীরা এসে মিড-ডে মিল খান। ঘটনাটি ঘটেছে কালিয়াচক ৩ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত গুরুটোলা এলাকার বৈষ্ণবনগর ম্যানেজড্ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।


স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই বৈষ্ণবনগর ম্যানেজড্ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চুরির অভিযোগ উঠছিল। আজ সকালে স্কুলের মিড-ডে মিলের বোর্ডে উপস্থিত ছাত্র সংখ্যা ২৩০ জন দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। কিন্তু ছাত্র সংখ্যা দেখে সন্দেহ হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের। এরপরেই স্থানীয় বাসিন্দারা প্রধান শিক্ষককে চেপে ধরেন। স্থানীয়দের চাপে প্রধান শিক্ষক মতিউর রহমান স্বীকার করেন, তিনি ছাত্র সংখ্যা না গুনেই বোর্ডে ছাত্র সংখ্যা লিখেছেন। তাঁর আরও দাবি, অনেক সময় পরে ছাত্ররা স্কুলে আসে, অনেক সময় গ্রামবাসীরা এসে খাবার খান। শিক্ষক, মিড-ডে মিল কর্মীরাও খাবার খান। তবে স্কুলে মিড-ডে মিল নিয়ে কোনো কারচুপি নেই।



স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আজ স্কুলে এসেছে মোট ১৩১ জন ছাত্রছাত্রী অথচ মিড-ডে মিলের বোর্ডে উপস্থিত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা লেখা রয়েছে ২৩০ জন। পঞ্চম শ্রেণির উপস্থিত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৩৪ জন, অ্যাটেনডেন্স রেজিস্ট্রারে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা দেখানো হয়েছে ৫৪ জন। স্বাভাবিকভাবেই এথেকে পরিষ্কার স্কুলে মিড-ডে মিল নিয়ে দুর্নীতি হচ্ছে।




আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

コメント


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page