ছাদ থেকে পড়ে ১০ বছরের এক কিশোরীর মৃত্যু
f.jpg

ছাদ থেকে পড়ে ১০ বছরের এক কিশোরীর মৃত্যু

শনিবার রাতে মালদা শহর থেকে সামান্য দূরে ইংরেজবাজারের যদুপুর এলাকায় ছাদের রেলিং থেকে পড়ে গিয়ে ১০ বছরের এক কিশোরীর মৃত্যুকে ঘিরে রহস্য দানা বেঁধেছে। ওই কিশোরীর সঙ্গেই ছাদ থেকে পড়ে আহত হয়েছেন আরও এক যুবক। তাঁকে মালদা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। । ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ।



মৃত কিশোরীর নাম সিমরন। তার বাবা আলম শেখ একজন রপ্তানিকারক। মহদিপুর দিয়ে বাংলাদেশে জিনিসপত্র রপ্তানি করেন তিনি। স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে তিনি যদুপুর এলাকায় রেললাইনের পাশে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। বাড়িটি দোতলা। নীচের তলায় পরিবার নিয়ে বসবাস করেন বাড়ির মালিক আর্শাদ আলি বিশ্বাস। উপর তলায় ভাড়া থাকতেন আলম সাহেব। দ্বিতলে আরও একটি পরিবার ভাড়া থাকে। সেই পরিবারের কর্তা ইমতিয়াজ মণ্ডল (৩০) পেশায় লরিচালক। তাঁর স্ত্রী দিলওয়ারা বেগম সাধারণ গৃহবধূ। আলম সাহেবের মেয়ে সিমরন ইমতিয়াজ সাহেবকে মামা সম্বোধন করত। দুই পরিবারের মধ্যে সম্পর্কও ভালো ছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

দুর্ঘটনাটি ঘটে শনিবার রাত ১০টা নাগাদ। বাড়ি মালিক আর্শাদ সাহেব জানিয়েছেন, সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। নিজস্ব কাজে মালদা শহরের রথবাড়ি মোড়ে গিয়েছিলেন। তখনই বাড়ি থেকে ফোন করে তাঁকে জানানো হয়, ছাদের উপর থেকে পড়ে সিমরন মারা গিয়েছে। একইসঙ্গে ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হিয়েছেন ইমতিয়াজ। তাঁকে মালদা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়েই তিনি হাসপাতালে ছুটে যান। ইমতিয়াজ তখনও সংজ্ঞাহীন। এরপর তিনি খবর দেন ইংরেজবাজার থানায়।

সিমরনের মৃত্যুর কারণ নিয়ে পরিষ্কার হতে পুলিশি তদন্তেই ভরসা রাখছেন আর্শাদ সাহেব। আর্শাদ সাহেবের বক্তব্য, তিনি জানতে পেরেছেন, সিমরনকে নিয়ে ইমতিয়াজ একাই ছাদে গিয়েছিলেন। সেই সময় আলম সাহেবও বাড়িতে ছিলেন না। ইমতিয়াজ কেন সিমরনকে নিয়ে একা ছাদে গেলেন, তাঁরা ছাদে কী করছিলেন, কেমন করেই বা একসঙ্গে দুজনে ছাদ থেকে নীচে পড়ে গেলেন তা তিনি বুঝতে পারছেন না। তবে পাশের বাড়ির লোকজন গোটা ঘটনাটি দেখতে পেয়েছে। তারাই বিষয়টি সঠিক বলতে পারবে।

গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। গতকাল পুলিশ আহত ইমতিয়াজ সাহেবকে জেরা করতে পারেনি। এদিন তাঁকে জেরা করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

#DigitalDesk #Misc

হেডলাইন

প্রতিবেদন

ডিজিট্যাল যুগে বাধ সাধে নি লন্ঠন, যমজ বোনের সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকে

বিদ‍্যুৎ পরিষেবা পেলেও আর্থিক সঙ্কট থাকায় বকেয়া বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বাধ্য হয়েই তিন বছর ধরে লন্ঠনের আলোতেই পড়াশুনা চালিয়েছেন...

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.