ডিজিট্যাল যুগে বাধ সাধে নি লন্ঠন, যমজ বোনের সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকে

ডিজিট্যাল যুগে বাধ সাধে নি লন্ঠন, যমজ বোনের সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকে

বিদ‍্যুৎ পরিষেবা পেলেও আর্থিক সঙ্কট থাকায় বকেয়া বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বাধ্য হয়েই তিন বছর ধরে লন্ঠনের আলোতেই পড়াশুনা চালিয়েছেন দিনমজুর বাবার যমজ দুই কন্যা। এই কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করে এবার উচ্চমাধ্যমিকে সাফল্য পেয়েছে তারা।




মালদার চাঁচল থানার নয়াটোলা মহানন্দাপুর হাইমাদ্রাসা থেকে এবছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেয় যমজ দুই বোন সালেহা ও জান্নাতুন৷ কলা বিভাগে সালেহা খাতুন ৪৬২ ও জান্নাতুন ফিরদৌসি ৪৫০ নম্বর পেয়ে এলাকাবাসীর গর্বের কারণ হয়েছে৷ নিজের স্কুলেও এরা প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানাধিকারী। দুই মেয়ের সাফল্যে গর্বিত বাবা সুলেমান আলিও৷ চাঁচল-১ নম্বর ব্লকের মকদমপুর গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার গৌড়িয়া-টেঙরিয়া পাড়ার পরিবার নিয়ে বসবাস করেন পেশায় খেতমজুর, সুলেমান সাহেব৷ উল্লেখ্য পরিবারে রয়েছে দুই যমজ বোন ও বাবা-মা, বড়ো দিদির বিয়ে হয়েছে।


[ আরও খবরঃ রাজ্যে দ্বিতীয় তামান্না, নজরকাড়া ফল মাদ্রাসা পরীক্ষাতেও ]


জানা গেছে, বিদ্যুতের বিল বকেয়া থাকায় ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়া হয় তাঁদের বাড়ি থেকে৷ ২০১৯ সালের ৫ নভেম্বর বকেয়া পাঁচ হাজার টাকার মধ্যে ৩ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও মেলেনি বিদ্যুৎ সংযোগ৷ এই পরিস্থিতিতে লণ্ঠনের আলোয় পড়াশোনার একমাত্র অবলম্বন হয়ে উঠেছিল দুই বোনের৷ প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও উচ্চমাধ্যমিকে সাফল্য অর্জন করেছে তারা৷



সালেহা ও জান্নাতুন জানায়, স্কুলের পাশাপাশি একটি টিউশন নিয়েই পড়াশোনা চালিয়েছে তারা৷ একই বই নিয়েই দু’জন পড়াশোনা করেছে৷ তাদের এই সাফল্যের পেছনে স্কুলের শিক্ষকদের পাশাপাশি গৃহশিক্ষক মুর্শেদ আলির যথেষ্ট অবদান রয়েছে৷ অন্য পাঁচটি পরিবারের মত বাড়িতে স্মার্টফোন নেই এই যমজ মেয়েদের। তাই পরীক্ষার ফল দেখতে গ্রামের তথ্যমিত্র কেন্দ্রে হাজির হয়েছিল তারা। দুই বোন ভবিষ্যতে আদর্শবান নার্স হতে চায়। মা রৌশনা বিবির জানায়, সকলের সহযোগিতায় তাঁর মেয়েরা ভালো ফল করেছে। শান্ত স্বভাবের সালেহা ও জান্নাতুন। পড়াশুনা নিয়েই সারাদিন ব্যস্ত থাকত। বড়ো হয়ে নার্সিং নিয়ে পড়াশোনা করতে চায়, তাদের যেন সে ইচ্ছাপূরণ হয়।


টপিকঃ #উচ্চমাধ্যমিক

হেডলাইন

প্রতিবেদন

ডিজিট্যাল যুগে বাধ সাধে নি লন্ঠন, যমজ বোনের সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকে

বিদ‍্যুৎ পরিষেবা পেলেও আর্থিক সঙ্কট থাকায় বকেয়া বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বাধ্য হয়েই তিন বছর ধরে লন্ঠনের আলোতেই পড়াশুনা চালিয়েছেন...

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.