চোরাকারবারিদের উদ্দেশ্যে ছোড়া গুলি ছাত্রের চোখে
f.jpg

চোরাকারবারিদের উদ্দেশ্যে ছোড়া গুলি ছাত্রের চোখে


বিএসএফ ও চোরাকারবারিদের বিবাদে গুলিবিদ্ধ হয়েছে এক কিশোর। সোমবার রাতে কালিয়াচক ৩ নম্বর ব্লকের পার বৈদ্যনাথপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনার জেরে সুমিত শেখ (১১) নামে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রের চোখে গুলি লাগে। তাকে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। পুলিশের অনুমান, চোরাকারবারিদের গুলিতেই আহত হয়েছে ওই কিশোর। কিন্তু কিশোরের বাবার দাবি, তাঁর ছেলে বিএসএফ-র গুলিতে আহত হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে পুলিশের কাছে এখনও পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর তরফেও কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।


সুমিত-এর বাবা মনসুর আলি পেশায় কৃষক। তিনি জানান গতকাল তাঁদের গ্রামে ধর্মীয় জলসার আসরে তাঁর ছেলে সুমিতও উপস্থিত ছিল। হঠাৎ বিএসএফ-এর তাড়া খেয়ে চোরাকারবারিরা সেই জলসার আসরে ঢুকে পড়লে বিএসএফ জওয়ানরা চোরাকারবারিদের উদ্দেশ্যে গুলি চালায়। সুমিতের বাবার অভিযোগ, সেইসময় বিএসএফ-এর গুলি এসে তাঁর ছেলের বাম চোখে লাগে। সুমিতকে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভরতি করা হয়। সুমিতের চোখের অবস্থা এখন আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

উল্লেখ্য ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার ঠিক পাশেই পার বৈদ্যনাথপুর গ্রামটির অবস্থান। গ্রামটির যে অংশে গঙ্গার জলসীমান্ত আছে সেই এলাকা চোরাকারবারিদের স্বর্গরাজ্য। দুই দেশের চোরাকারবারিরা এই অঞ্চলে সক্রিয়। তাদের তাড়া করতে গিয়ে বিএসএফ জওয়ানরাও মাঝেমধ্যে গ্রামে ঢুকে পড়ে। স্থানীয় মানুষজনের এই সব ঘটনা প্রায় গা সওয়া হয়ে গেছে। গতকাল রাতেও এই রকম একই ঘটনা ঘটেছে বলে সূত্র মারফৎ জানা গেছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সুমিতের চোখে গুলির ছররা লেগেছে। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্রে করে বেশ কিছু প্রশ্নচিহ্ন সামনে এসেছে। যদিও সুমিতের বাবার অভিযোগ, বিএসএফ-এর গুলি তাঁর ছেলের বাম চোখে লেগেছে। কিন্তু বিএসএফ এই ধরনের গুলি ব্যবহার করে না। সেক্ষেত্রে ছররা গুলি সুমিতের চোখে লাগল কীভাবে? পুলিশের অনুমান, গতকাল সম্ভবত চোরাকারবারিদের গুলিতেই আহত হয়েছে ওই কিশোর, কারণ ছররা বন্দুক ব্যবহার করে চোরাকারবারিরা। এই ঘটনায় বৈষ্ণবনগর থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি।

#Crime #DigitalDesk

হেডলাইন

প্রতিবেদন

ডিজিট্যাল যুগে বাধ সাধে নি লন্ঠন, যমজ বোনের সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকে

বিদ‍্যুৎ পরিষেবা পেলেও আর্থিক সঙ্কট থাকায় বকেয়া বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বাধ্য হয়েই তিন বছর ধরে লন্ঠনের আলোতেই পড়াশুনা চালিয়েছেন...

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.