রাস্তার জলে মাছ ধরার প্রতিযোগিতা, বিতর্ক চাঁচলে
f.jpg

রাস্তার জলে মাছ ধরার প্রতিযোগিতা, বিতর্ক চাঁচলে

দীর্ঘদিন ধরে বেহাল রাস্তা। সামান্য বৃষ্টিতেই জল জমে যায়। প্রশাসনকে বলেও কোনও কাজ হচ্ছে না। প্রতিবাদে রাস্তার জলে মাছ ধরার প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলেন স্থানীয়দের একাংশ।


এই ঘটনাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। স্থানীয় এক বিজেপি নেতা বাড়ির সাব মার্শাল পাম্প থেকে জল তুলে রাস্তায় ফেলে প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবাদ করতে গেলে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। পালটা মারধরের অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি কর্মীও। একে অপরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে দুই পক্ষই। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে চাঁচল থানার পুলিশ।



ওই রাস্তাকে ঘিরে বাসিন্দাদের ক্ষোভ দীর্ঘদিনের। অভিযোগ, নিকাশি না থাকার পাশাপাশি সংস্কার না হওয়ায় বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি জলে থইথই করতে থাকে। পঞ্চায়েত প্রশাসনকে জানিয়েও ফল হয়নি। প্রতিবাদ জানাতে বুধবার রাস্তার জলে মাছ ধরার প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। রাস্তার জমা জলে মাছ ছেড়ে দেন বাসিন্দারা। দুই মিনিটে যে সব থেকে বেশি মাছ ধরবেন তাঁকে এক হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করা হয়। এই প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছে বিতর্ক।


[ আরও খবরঃ করোনার গ্রাসে ইংরেজবাজার, সংস্পর্শ ভয়... ]

বিজেপি কর্মী প্রসেনজিত শর্মা বলেন, আমি বাড়ির জলের ট্যাঙ্ক সাফাই করছিলাম। সেই জল ফেলার জায়গা নেই। রাস্তায় জল জমে ডোবা হয়েছিল। তাই সেখানেই ট্যাঙ্কের সামান্য কিছু জল ফেলি। এটা এলাকাবাসীর প্রতিবাদ কর্মসূচি। কিন্তু চাঁচল গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধানের স্বামী মোক্তার হোসেন, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য অমিতেশ পাণ্ডে ও সদস্য বিপ্লব মণ্ডল বাড়িতে চড়াও হয়ে আমাকে মারধর করেন।



পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য অমিতেশ পাণ্ডে বলেন, রাস্তা সত্যি খারাপ। কিন্তু বিজেপি নেতা প্রসেনজিত শর্মা রাস্তায় জল ফেলে পঞ্চায়েত-প্রশাসনকে হেয় করতেই এসব করেছে। প্রতিবাদ করায় সে স্থানীয় সদস্যকে মারধর করে।

চাঁচল ১ ব্লকের বিডিও সমীরণ ভট্টাচার্য বলেন, রাস্তার কিছু অংশ বেহাল। কিন্তু বাড়ি থেকে পাম্প দিয়ে জল রাস্তায় ফেলে যা করা হয়েছে তা মেনে নেওয়া যায় না। বেহাল রাস্তা সংস্কার করতে প্রশাসন এরমধ্যেই উদ্যোগী হয়েছে। দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করা হবে।


হেডলাইন

প্রতিবেদন

ডিজিট্যাল যুগে বাধ সাধে নি লন্ঠন, যমজ বোনের সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকে

বিদ‍্যুৎ পরিষেবা পেলেও আর্থিক সঙ্কট থাকায় বকেয়া বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বাধ্য হয়েই তিন বছর ধরে লন্ঠনের আলোতেই পড়াশুনা চালিয়েছেন...

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.