top of page

সীমান্তে কাঁটাতার নেই মালদার ৪২ কিমি এলাকায়

দিনের পর দিন খবরের শিরোনামে উঠে আসে জাল নোট উদ্ধারের ঘটনা কিংবা গোরু পাচারের ঘটনা। এধরণের ঘটনা রুখতে কোমর কষে নেমে পড়েছে বিএসএফ। বিএসএফ-এর এই প্রয়াসে কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে পর্যাপ্ত জমির অভাব। ইন্দো-বাংলা সীমান্তের সব জায়গায় ত্রিস্তরীয় কাঁটাতারের বেড়া বসানোর জন্য জায়গা পাচ্ছে না সীমান্তরক্ষী বাহিনী৷ জমির জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। তবে তাতে নাকি তেমন সাড়া পাননি বিএসএফ কর্তৃপক্ষ। তাসত্ত্বেও হাল ছাড়তে নারাজ বিএসএফ৷ তাদের পক্ষ থেকে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে৷ শুক্রবার ইংরেজবাজারের মহদিপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংবাদমাধ্যমকে একথা জানালেন বিএসএফ-এর দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের ডিআইজি অমরকুমার এক্কা৷


জাল নোট পাচারের জন্য দেশ জুড়ে কুখ্যাত মালদা জেলা৷ জেলার ১৭২ কিলোমিটার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের মধ্যে প্রায় ৪২ কিলোমিটার এলাকা পুরোপুরি উন্মুক্ত৷ এই সব এলাকায় ত্রিস্তরীয় কাঁটাতারের বেড়া বসানোর জন্য দীর্ঘদিন ধরেই চেষ্টা চালাচ্ছে বিএসএফ৷ কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে পর্যাপ্ত জমির অভাব৷

গতকাল বিএসএফ-এর পক্ষ থেকে মহদিপুরের বাসিন্দাদের জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করা হয়৷ সেই অনুষ্ঠানে এসে ডিআইজি অমরকুমার এক্কা সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, এই জেলার বেশিরভাগ এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া বসানো গেলেও জমি সমস্যায় বেশ কিছু এলাকায় তা এখনও বসানো যায়নি৷ জমি সংক্রান্ত সমস্যা মেটাতে তাঁরা রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন৷ কিন্তু এখনো সমস্যা রয়ে গিয়েছে। সমস্যা মেটাতে তাঁরা প্রতিনিয়ত জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করছেন৷ জমি পেলেই তাঁরা সীমান্তের সম্পূর্ণ এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া বসাবেন৷ ডিআইজি আরও জানান, তাঁরা সীমান্তে ২৪ ঘণ্টাই কড়া নজরদারি রাখেন৷ আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য সীমান্তে আরও বেশি সংখ্যায় জওয়ান নিয়োগ করা হয়েছে৷ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা যাতে কোনোভাবেই এদেশে ঢুকতে না পারে তার জন্য জওয়ানরা সবসময় সতর্ক রয়েছেন৷ কোনোভাবেই বিদেশি দুষ্কৃতীদের এদেশে ঢুকে দুষ্কর্ম চালাতে দেবেন না তাঁরা৷

সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা জানান, সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া বসলে এই জেলা দিয়ে জাল নোট পাচারের ঘটনা অনেকটা কমবে৷ বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের এদেশে ঢুকে সমাজবিরোধীমূলক কার্যকলাপও অনেক কমে যাবে। তাঁরাও চান, শীঘ্রই কাঁটাতার বসানো হোক। এর জন্য বিএসএফ কর্তৃপক্ষের হাতে প্রয়োজনীয় জমি তুলে দিক রাজ্য সরকার৷

আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন


ছবিটি প্রতীকী।

বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page