top of page

বিবাহিতা মহিলাদের অ্যাকাউন্টে রূপশ্রীর টাকা, দালালচক্রের অভিযোগ

বিবাহিতা মহিলাদের অ্যাকাউন্টে রূপশ্রী প্রকল্পের টাকা পাইয়ে সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠল মালদায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কালিয়াচক-২ ব্লকের পঞ্চানন্দপুর এলাকায়।


ওই এলাকার বাসিন্দা বিনা বিবি। তাঁর বিয়ে হয়েছে ১৪ বছর আগে। ১৩ বছরের তাঁর এক মেয়ে রয়েছে। সম্প্রতি তাঁর অ্যাকাউন্টে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রূপশ্রী প্রকল্পের ২৫ হাজার টাকা এসেছে। টাকা এসেছে আরেক বিবাহিতা মহিলা আতিকা খানমের। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকার একাধিক মহিলার অ্যাকাউন্টে রূপশ্রী প্রকল্পের ২৫ হাজার টাকা করে এসেছে। রাজ্য সরকার দুস্থ পরিবারের মেয়েদের বিয়ের জন্য এই প্রকল্প এনেছে। কিন্তু সমাজের এক শ্রেণির দালাল অল্প শিক্ষিত বিবাহিতা মহিলাদের অ্যাকাউন্টে রূপশ্রী প্রকল্পের টাকা পাইয়ে সেই টাকা আত্মসাৎ করছে। ওই মহিলাদের মুখ বন্ধ রাখতে সামান্য কিছু টাকা দিয়ে দেওয়া হচ্ছে ওই মহিলাদেরও। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই চক্রের সঙ্গে পঞ্চায়েত প্রধান সহ বেশ কিছু সদস্য জড়িয়ে রয়েছে।



রিনা বিবি জানান, “খালেক শেখ নামে পঞ্চায়েতের একজন সুপারভাইজার আমার অ্যাকাউন্টে ২৫ হাজার টাকা ঢুকিয়েছিল৷ সেটা রূপশ্রী প্রকল্পের টাকা৷ খালেক আমার কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা নিয়েছে৷ তবে ওই সুপারভাইজার রূপশ্রীর কথা বলেনি৷ ব্যাংকের পাশবই আপডেট করানোর পর বিষয়টি জানতে পারি৷


আতিকার দাবি, ১০০ দিন কাজ প্রকল্পের টাকার কথা বলে সুপারভাইজার আমার কাছ থেকে যাবতীয় নথিপত্র নিয়ে যায়৷ তার কিছুদিন পর আমার অ্যাকাউন্টে ২৫ হাজার টাকা ঢোকে৷ বাপ্পা আমার কাছ থেকে ২২ হাজার টাকা নিয়ে নেয়৷ তিন হাজার টাকা আমার অ্যাকাউন্টে রেখে দেয়৷ পরে পাশবই আপডেট করে দেখি, ওই টাকা রূপশ্রী প্রকল্পের৷




পঞ্চায়েত প্রধান রিজিয়া বিবির স্বামী মুকুল হোসেন বলেন, রূপশ্রী প্রকল্পে প্রধানের কোনও ভূমিকা নেই৷ পঞ্চায়েত সদস্যরা সব কিছু করেন৷ ব্লক থেকে শুধু উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে প্রকল্পের টাকা ঢোকে৷


আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page