বিজ্ঞাপন

রাত পোহালেই কালীপুজো পিপলা শ্মশানে, গোরস্থানে প্রাচীরের দাবি

হরিশ্চন্দ্রপুরের সবথেকে বড়ো শ্মশান ও তার লাগোয়া হিন্দুদের গোরস্থানে বিগত ৫০ বছর ধরে রটন্তী কালীর পুজো হয়ে আসছে। রাত পোহালেই সেই পুজোয় মাতবে হরিশ্চন্দ্রপুর। পুজোর আয়োজক কমিটির সদস্য ক্ষিতিশচন্দ্র রায় জানান, এলাকার সবথেকে বড়ো শ্মশান হল হরিশ্চন্দ্রপুরের পিপলা শ্মশান। মাঘী চতুর্দশীতে এই রটন্তী কালী পুজো হয়। এখানে আগে কোনও কালীপুজো হত না। শুধু দাহকার্য করা হত। ১৯৭৪ সাল নাগাদ এলাকার সিদ্ধেশ্বর ভট্টাচার্য, বিকাশ ব্যানার্জি, শিবপদ মিশ্র, স্বপন দে প্রমুখেরা মিলে হরিশ্চন্দ্রপুর শ্মশানে কালীপুজোর সূচনা করেন। প্রথমে মাটির মূর্তি গড়ে কালীপুজো করা হত। পরে পাথরের কালীমূর্তি ও শিবলিঙ্গ স্থাপন করা হয়। হরিশ্চন্দ্রপুরের শ্মশান ও হিন্দুদের গোরস্থান গঠনে সেই সময় অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিল স্বাধীনতা সংগ্রামী সুবোধকুমার মিশ্র ও স্থানীয় ব্যবসায়ী জগন্নাথ আগরওয়াল। আগে গ্রামবাসী ভয়ে কালীপুজোর রাত্রে শ্মশানমুখী হত না। তবে এখন এই কালীপুজো উপলক্ষ্যে মেলা বসে তিনদিন। ভক্তদের বসিয়ে ভোগ খাওয়ানো হয়। তবে মায়ের পুজো তান্ত্রিক মতে হল এখানে কোনও পঞ্চমুন্ডির আসন নেই। শ্মশানের পাশে রয়েছে হিন্দুদের গোরস্থান তবে সেটি উন্মুক্ত, কোনও সীমানা প্রাচীর নেই সেখানে। এ নিয়ে অনেক সমস্যা হচ্ছে। বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন পঞ্চায়েতকে বহুবার আবেদন করা হলেও কোনও কাজ হয়নি।


ক্ষিতিশচন্দ্র রায়, রটন্তী কালীপুজোর আয়োজক

“শ্মশানের পাশে রয়েছে গোরস্থান, তবে সেটি উন্মুক্ত। কোনও সীমানা প্রাচীর নেই সেখানে”


কমিটির আরেক সদস্য দীপক দাস জানান, হরিশ্চন্দ্রপুর শ্মশানকালী রটন্তী কালী নামে পরিচিত। দূরদূরান্ত থেকে ভক্তরা এই পুজোয় অংশগ্রহণ করে। খুবই জাগ্রত এই রটন্তী কালী। প্রচুর মানুষ মানত করে এই পুজোয়। বর্তমানে হরিশ্চন্দ্রপুর শ্মশানে কিছু পরিকাঠামোগত সমস্যা এখনও আছে। মালদা জেলাপরিষদ থেকে তিনটি চুল্লি তৈরি করা হয়েছে। প্রাক্তন সাংসদ মৌসম নূরের সাংসদ কোটার অর্থে হাইমাস্ট ল্যাম্প পাওয়া গিয়েছে। তবে শ্মশানে একটি বিশ্রামাগারের প্রয়োজন। পাশাপাশি এই শ্মশানে পানীয়জলের প্রয়োজন আছে। গ্রীষ্মের সময় জলের স্তর নেমে যাওয়ায় জলের খুব সমস্যা হয় শ্মশান এলাকায়। শ্মশান ও গোরস্থানের সীমানায় প্রাচীর নেই এখনও। সীমানায় প্রাচীর থাকলে দুষ্কৃতীমূলক কাজকর্মও হবে না এলাকায়।


জেলা পরিষদের নারী ও শিশু কল্যাণ কর্মাধ্যক্ষ মর্জিনা খাতুন জানান, হরিশ্চন্দ্রপুরের প্রাচীন শ্মশান ও হিন্দুদের গোরস্থানের সীমানা প্রাচীর সংক্রান্ত সমস্যাটি আমি জেলাশাসকের কাছে পেশ করব। জেলা পরিষদের বৈঠকে আমি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব।

বিজ্ঞাপন

Malda Guinea House.jpg

পপুলার

1

শীতের বনভোজনে ইংরেজবাজারে নিষেধাজ্ঞা পুলিশের

Popular News

583

শীতের বনভোজনে ইংরেজবাজারে নিষেধাজ্ঞা পুলিশের
2

গ্রেফতার সাত ডাকাত, উদ্ধার হাঁসুয়া, লোহার রড

Popular News

647

গ্রেফতার সাত ডাকাত, উদ্ধার হাঁসুয়া, লোহার রড
3

মানিকচকে গঙ্গায় ডুবল ভেসেল, সার্চলাইট জ্বালিয়ে খোঁজ

Popular News

620

মানিকচকে গঙ্গায় ডুবল ভেসেল, সার্চলাইট জ্বালিয়ে খোঁজ
4

সুজাপুরে বিস্ফোরণস্থলে এলেন ফিরহাদ হাকিম, আসছে ফরেনসিক দল

Popular News

701

সুজাপুরে বিস্ফোরণস্থলে এলেন ফিরহাদ হাকিম, আসছে ফরেনসিক দল
5

তীব্র বিস্ফোরণ সুজাপুরের প্লাস্টিক কারখানায়

Popular News

1302

তীব্র বিস্ফোরণ সুজাপুরের প্লাস্টিক কারখানায়
Earnbounty_300_250_0208.jpg
At the Grocery Shop
টাটকা আপডেট
কমেন্ট করুন
 

aamadermalda.in

সাবস্ক্রিপশন

স্বত্ব © ২০২০ আমাদের মালদা

  • Facebook
  • Twitter
  • Instagram
  • YouTube
  • Pinterest
  • RSS