গাঁয়ে ফেরার মিছিল, শ্রমিককে কোয়রান্টিনে পাঠাতে নিজেদের উদ্যোগ

গাঁয়ে ফেরার মিছিল, শ্রমিককে কোয়রান্টিনে পাঠাতে নিজেদের উদ্যোগ

জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯। প্রতিদিনই ভিনরাজ‍্য থেকে গ্রামে ফিরছে পরিযায়ী শ্রমিকরা। তাই নিজেদের উদ্যোগে গ্রামবাসীরাই চাঁচল এলাকায় চালু করেছে কোয়রান্টিন সেন্টার।



সোমবার চাঁচল-১ নম্বর ব্লকের কলিগ্রাম গার্লস হাইস্কুলে কোয়রান্টিন সেন্টার খোলা হয়েছে বলে দাবী করেন গ্রামের বাসিন্দা দিলদার হোসেন। প্রথম দিনেই সেখানে পাটনা থেকে ঘরে ফেরা চারজন শ্রমিককে সেখানে রাখা হয়েছে। এই কোয়রান্টিন সেন্টার চালাতে প্রয়োজনে পঞ্চায়েত থেকে সাহায্য করা হবে বলে জানান এলাকার গ্রামপঞ্চায়েত প্রধান রেজাউল খান।


একইভাবে মতিহারপুর গ্রামপঞ্চায়েতের পহরিয়া প্রাইমারি স্কুলে কোয়রান্টিন সেন্টার খোলা হয়েছে। পহরিয়া গ্রামের বাসিন্দা রাজকুমার দাসের উদ্যোগে এই সেন্টারটি চলছে বলে জানা গেছে। বর্তমানে সেখানে ৬০ জন শ্রমিক রয়েছে বলে কোয়রান্টিন সূত্রের খবর। প্রয়োজনে পঞ্চায়েতের কাছে সাহায্যের দাবী জানাব বলে জানান এলাকার সদস্য জবা দাস।


[ আরও খবরঃ কনটেনমেন্ট জোনে ঢোকার চেষ্টা, সাংসদের কনভয় আটকাল পুলিশ ]


ওই এলাকার দিঘা-বসতপুর প্রাইমারি স্কুল ও সন্তোষপুর হাইমাদ্রাসায় গ্রামবাসীর উদ্যোগে আরও একটি কোয়রান্টিন সেন্টার খোলা হয়েছে জানিয়েছেন বাসিন্দা শাহিদ আখতার। বর্তমানে বসতপুরে ৬ জন ও সন্তোষপুরে ৩ জন শ্রমিক রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রয়োজনে পঞ্চায়েত থেকে সাহায্য করা হবে বলে জানান গ্রামের প্রধান পপি দাস।

আরও জানা গেছে, মতিহারপুর গ্রামপঞ্চায়েতের বেশ কয়েকটি গ্রামে বাসিন্দারা নিজেরাই কোয়রান্টিন সেন্টারের ব্যবস্থা করেছেন। একই রকম ভাবে চাঁচল-২ নম্বর ব্লকের গৌড়হন্ড গ্রামপঞ্চায়েতেও এই ব্যবস্থা গ্রামবাসীরাই করেছেন। তার মধ্যে মালোপাড়া এসএসকে, ডমরু কালীতলা ও দুঁদিয়া প্রাইমারি স্কুলে এই তিনটি কোয়রান্টিনে মোট ৩৭ জন পরিযায়ী শ্রমিক রয়েছে বলে খবর। ওই ব্লক এলাকার চন্দ্রপাড়া গ্রামপঞ্চায়েতের বলরামপুর প্রাইমারি, যদুপুর হাইস্কুল, কানাইপুর জুনিয়র হাইমাদ্রাসা সহ একাধিক গ্রামে কোয়রান্টিন সেন্টার খোলা হয়েছে গ্রামবাসীদের উদ্যোগেই বলে জানা গেছে।

উদ্যোক্তাদের একাংশের বক্তব্য, জেলায় পরিযায়ী ফিরতেই করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। আমরা নিজেরাই কোনও পরিযায়ী শ্রমিক গ্রামে প্রবেশ করলেই তাকে কোয়রান্টিনে রাখার ব্যবস্থা করছি।


[ আরও খবরঃ শ্রমিক বোঝাই আরও বাস জেলায়, করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ১৯ ]



টপিকঃ #MigrantWorkers

হেডলাইন

প্রতিবেদন

ডিজিট্যাল যুগে বাধ সাধে নি লন্ঠন, যমজ বোনের সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকে

বিদ‍্যুৎ পরিষেবা পেলেও আর্থিক সঙ্কট থাকায় বকেয়া বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বাধ্য হয়েই তিন বছর ধরে লন্ঠনের আলোতেই পড়াশুনা চালিয়েছেন...

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.