এমফিল, পিএইচডি ছাত্রছাত্রীদের জন্য সরকারি সাহায্য
f.jpg

এমফিল, পিএইচডি ছাত্রছাত্রীদের জন্য সরকারি সাহায্য


উচ্চশিক্ষায় পাঠরত ছাত্রছাত্রীদের জন্য আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল রাজ্য সরকার৷ চালু হল স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট কাম মিনস‌ স্কলারশিপ স্কিম৷ রাজ্যের যে কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল ও পিএইচডিতে গবেষণারত ছাত্রছাত্রীদের প্রতি মাসে আর্থিক সাহায্য দেবে সরকার৷ রাজ্যের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়েও সরকারের এই সিদ্ধান্ত চালু হচ্ছে৷ এরমধ্যেই এমফিল ও পিএইচডি গবেষণারত ১১৭ জন পড়ুয়া এই সাহায্য পাওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন৷ সেই তালিকা চূড়ান্ত করতে শুক্রবার আবেদনকারী পড়ুয়াদের ইন্টারভিউ নেবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ৷


এমফিল-এর পড়ুয়াদের প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা করে সাহায্য করবে৷ আর যাঁরা পিএইচডি করছেন তাঁরা মাসে ৮ হাজার টাকা করে পাবেন৷

এই বিষয়ে গত ৭ জুন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তর৷ উচ্চশিক্ষা দপ্তর, সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি, বাজেট ব্রাঞ্চের লেটারহেডে গত ১১ জুন সরকারের সেই সিদ্ধান্তের কথা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানান শিক্ষা সচিব৷ এই স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট কাম মিনস‌ স্কলারশিপ স্কিমে নিজেদের অন্তর্ভূক্ত করতে হলে পড়ুয়াদের পরিবারের উপার্জনের কোনও কথা উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই৷ শর্ত হল, যে শিক্ষার্থীরা নেট-এর রিসার্চ ফেলোশিপে উত্তীর্ণ হতে পারেননি, একমাত্র তাঁরাই এই স্কিমে আসতে পারবেন৷ অর্থাৎ এই স্কিমে আসতে হলে পড়ুয়াদের অন্য কোথাও থেকে কোনও অর্থ সাহায্য পাওয়া চলবে না৷

আবেদনকারী পড়ুয়াদের পেশ করা তথ্য যাচাই করার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁদের নাম পাঠালেই উচ্চশিক্ষা দপ্তর এমফিল-এর পড়ুয়াদের প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা করে সাহায্য করবে৷ আর যাঁরা পিএইচডি করছেন তাঁরা মাসে ৮ হাজার টাকা করে পাবেন৷ এমফিল কিংবা পিএইচডি, দুটিই হল পূর্ণ সময়ের গবেষণা৷ ফলে এই দুই বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের পড়াশোনার অর্থ জোগাড় করতে অনেক সময় প্রাইভেট টিউশনি কিংবা অস্থায়ীভাবে কোথাও চাকরি করেন৷ এতে তাঁদের পড়াশোনার ব্যাঘাত হয়৷ তাঁদের সেই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিতেই মুখ্যমন্ত্রী এই সব পড়ুয়াদের জন্য আর্থিক সহায়তার কথা ভাবেন৷ এই সাহায্য পেলে তাঁরা নিশ্চিতভাবে পড়াশোনা ও গবেষণায় আরও মনযোগী হতে পারবেন৷

এপ্রসঙ্গে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার তথা ডেভেলপমেন্ট অফিসার রাজীব পুততুণ্ডি এদিন জানান, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এবছরই এই স্কিম চালু হয়েছে৷ যে পড়ুয়ারা নেট পাশ করেও ফেলোশিপ পাননি অথবা নেটও পাশ করতে পারেননি, অথচ তাঁরা পূর্ণ সময়ের গবেষণা করছেন, তাঁদের জন্যই এই স্কিম চালু করা হয়েছে৷ একটাই শর্ত, এই স্কিমে থাকা পড়ুয়ারা অন্য কোথাও থেকে অর্থ সাহায্য পেতে পারবেন না অথবা কোথাও চাকরি করতে পারবেন না ৷ এখনও পর্যন্ত ১১৭ জন পড়ুয়া এই সহায়তা পেতে আবেদন জানিয়েছেন৷ এর মধ্যে পিএইচডিতে রয়েছেন ২৯ জন৷ তাঁদের মধ্যে সায়েন্স বিভাগ থেকে রয়েছেন ১০ জন, আর্টস থেকে রয়েছেন ১৯ জন৷ এমফিল পড়ুয়াদের মধ্যে সায়েন্স থেকে ২ জন এবং আর্টস থেকে ৮৬ জন আবেদন করেছেন৷ আবেদনকারী পড়ুয়াদের আবেদনপত্র খতিয়ে দেখার জন্য উপাচার্য একটি কমিটি গঠন করেছেন৷ সেই কমিটি প্রতিটি আবেদনপত্র খতিয়ে দেখেছে৷ এরপরেও আগামীকাল আবেদনকারীদের একটি ইন্টারভিউয়ে ডাকা হয়েছে৷ তারপরেই চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হবে৷

#Education #DigitalDesk

হেডলাইন

প্রতিবেদন

ডিজিট্যাল যুগে বাধ সাধে নি লন্ঠন, যমজ বোনের সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকে

বিদ‍্যুৎ পরিষেবা পেলেও আর্থিক সঙ্কট থাকায় বকেয়া বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বাধ্য হয়েই তিন বছর ধরে লন্ঠনের আলোতেই পড়াশুনা চালিয়েছেন...

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.