বিএসএফ জওয়ানের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে বিবস্ত্র করে মারধর করার অভিযোগ
f.jpg

বিএসএফ জওয়ানের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে বিবস্ত্র করে মারধর করার অভিযোগ

মানিকচকের চৌকি মীরদাদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব সৈয়দপুর গ্রামে সন্দেহের বশে স্ত্রীকে বিবস্ত্র করে বেধড়ক মারধর করার পর মাথার চুল কেটে পালিয়ে গেল স্বামী। সেই স্বামী আবার এক বিএসএফ জওয়ান। গতকাল রাতে ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনায় এদিন দুপুরে মানিকচক থানায় স্বামী সহ শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেওরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন ওই বধূ। যদিও অভিযুক্তরা গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের নাগাল পায়নি পুলিশ।


তাঁকে বিবস্ত্র করে মারতে থাকে রফিকুল। বাড়ির অন্যান্যরা সেই তামাশা দেখতে থাকে।

নির্যাতিতা বধূর নাম আসগরি বিবি। বয়স ২৩। বাবার বাড়ি চাঁচল ২ ব্লকের চন্দ্রপাড়া গ্রামে। বছর পাঁচেক আগে তাঁর বিয়ে হয় পূর্ব সৈয়দপুর গ্রামের যুবক রফিকুল ইসলামের (২৮) সঙ্গে। রফিকুল বিএসএফ জওয়ান। তার বাবা তাবরেজ শেখ পেশায় কৃষিজীবী। মা বেগম বিবি সাধারণ গৃহবধূ। তার এক ভাইও আছে। সফিকুল ইসলাম। সে বেকার। এখনও কোনও কাজ পায়নি। ১৪ মাস আগে এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেন আসগরি।

আসগরির অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই তিনি টের পেয়েছিলেন, তাঁর স্বামী সন্দেহপ্রবণ। বিয়ের পর তাঁকেও সন্দেহ করত রফিকুল। সেই কারণে বিয়ের ২ মাস পর থেকেই তার উপর অত্যাচার শুরু করে সে। কিন্তু নিজের ভবিষ্যতের কথা ভেবে তিনি এনিয়ে পুলিশে কিছু জানাননি। সম্প্রতি রফিকুল রাজস্থানে বদলি হয়। ছুটি পেয়ে শুক্রবার সে বাড়ি ফিরে আসে। বাড়ি ফেরার পর থেকেই সে ফের তাঁর উপর অত্যাচার শুরু করে। বলতে থাকে, তাঁর সঙ্গে নাকি পরপুরুষের অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। গতকাল রাতে তার অত্যাচারের মাত্রা চরমে ওঠে। তাঁকে বিবস্ত্র করে মারতে থাকে রফিকুল। বাড়ির অন্যান্যরা সেই তামাশা দেখতে থাকে। একসময় তাঁর মাথার একগোছা চুল কেটে নেয় সে। তখনও পরিবারের লোকজন ছিল নীরব দর্শক। তাঁর চিৎকারে গ্রামবাসীরা এসে তাঁকে রক্ষা করেন। এরপর রফিকুলরা সবাই মিলে তাঁর ছেলেকে কেড়ে নেয়। তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। অবশেষে এদিন তিনি বাবার বাড়ির লোকজনের সহায়তায় রফিকুল ও তার বাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে মানিকচক থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

মানিকচক থানার পুলিশ জানিয়েছে, মর্মান্তিক এই ঘটনার অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরেই অভিযুক্তদের খোঁজে গ্রামে তল্লাশি চালানো হয়। কিন্তু অভিযুক্তরা পলাতক। তাদের খোঁজ চলছে। তাদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে। এই ঘটনায় একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।


হেডলাইন

প্রতিবেদন

ডিজিট্যাল যুগে বাধ সাধে নি লন্ঠন, যমজ বোনের সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকে

বিদ‍্যুৎ পরিষেবা পেলেও আর্থিক সঙ্কট থাকায় বকেয়া বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বাধ্য হয়েই তিন বছর ধরে লন্ঠনের আলোতেই পড়াশুনা চালিয়েছেন...

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.