বাড়ি তৈরিকে কেন্দ্র করে দাদা ভাইয়ের লড়াই

বাড়ি তৈরিকে কেন্দ্র করে দাদা ভাইয়ের লড়াই

বাড়ি বানানো নিয়ে বিবাদের জেরে আক্রান্ত হলেন দম্পতি৷ আক্রান্ত স্বামী বর্তমানে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন৷ গতকাল রাতেই ৪ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে আক্রান্তের পরিবার৷ যদিও এখনও কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ৷ গতকাল সন্ধেয় ঘটনাটি ঘটেছে মানিকচক থানার মথুরাপুর গ্রামে৷


আক্রান্ত স্বামীর নাম শেখ আলম৷ বয়স ৩৯ বছর৷ তিনি স্থানীয় শংকরটোলা মোহরাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক৷ তাঁর স্ত্রী শাহনাজ বিবি গৃহবধূ৷ মথুরাপুর পাঠানপাড়ায় পৈতৃক ভিটেয় স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করেন তিনি৷ একই ভিটেয় পরিবার নিয়ে বসবাস করেন তাঁর দাদা শেখ নইমুদ্দিন৷ জানা গিয়েছে, সম্প্রতি পৈতৃক ভিটেতে নিজের বাড়ি তৈরি করছিলেন শেখ আলম৷ কিন্তু বাড়ি তৈরি করতে তাঁকে বাধা দেন তাঁর দাদা নইমুদ্দিন ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা৷ তাঁদের বক্তব্য, ভিটে ভাগাভাগি হওয়ার পরেই বাড়ি বানাতে হবে আলমকে৷ যদিও আলমের বাড়ির সদস্যদের বক্তব্য, পৈতৃক ভিটে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিতে আলম একাধিকবার নইমুদ্দিনদের প্রস্তাব দেন৷ কিন্তু তাঁর প্রস্তাবে কেউ কর্ণপাত করেননি৷

ঘটনার বিবরণে শেখ আলমের ভাগনে জিয়াউল খান বলেন, স্কুলে শিক্ষকতার সঙ্গে তাঁর মামা বাড়িতে গৃহশিক্ষকতা করেন৷ স্কুল থেকে ফিরে গতকাল বিকেলেও তিনি ঘরে ছাত্র পড়াচ্ছিলেন৷ সেই সময় তাঁর আরেক মামা শেখ নইমুদ্দিনের সাথে শেখ সইমুদ্দিন, শেখ আদিল ও অঞ্জলি বিবি, আলম মামার বাড়িতে ঢুকে পড়ে৷ তারা মামি শাহনাজ বিবিকে ঘর থেকে টেনে বাইরে বের করে ইট ও লাঠি দিয়ে মারতে শুরু করে৷ তাদের হাতে হাঁসুয়াও ছিল৷ মামির চিৎকার শুনে মামা ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন৷ তিনি মামিকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাঁকেও মারধর শুরু করে নইমুদ্দিন সহ অন্যান্যরা৷ ইট দিয়ে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়৷ সঙ্গে লাঠি ও হাঁসুয়া দিয়েও তাঁর সারা শরীরে মারা হয়৷ তাঁদের চিৎকারে পড়শিরা ছুটে আসেন৷ তিনিও ঘটনাস্থলে ছুটে যান৷ তাঁদের দেখে নইমুদ্দিনরা সেখান থেকে চলে যায়৷ আহত মামা ও মামিকে তাঁরা তখনই নিয়ে যান স্থানীয় মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে৷ প্রাথমিক চিকিৎসার পর মামিকে ছেড়ে দেওয়া হলেও তাঁর মামাকে মালদা মেডিকেল কলেজে রেফার করে দেন সেখানকার চিকিৎসকরা৷ এই ঘটনায় রাতেই তাঁরা নইমুদ্দিন সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন৷

মানিকচক থানার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে৷ তবে এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তদের কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি৷

ভিডিয়োঃ কৃতাঙ্ক


হেডলাইন

প্রতিবেদন

ডিজিট্যাল যুগে বাধ সাধে নি লন্ঠন, যমজ বোনের সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকে

বিদ‍্যুৎ পরিষেবা পেলেও আর্থিক সঙ্কট থাকায় বকেয়া বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বাধ্য হয়েই তিন বছর ধরে লন্ঠনের আলোতেই পড়াশুনা চালিয়েছেন...

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.