বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসারের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ রাজ্য উচ্চশিক্ষা দপ্
f.jpg

বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসারের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ রাজ্য উচ্চশিক্ষা দপ্তরের


গত ৫ জুন রাজ্য উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের ডেপুটি সেক্রেটারি প্রাণতোষ চট্টোপাধ্যায় এক নির্দেশনামা জারি করে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিনান্স অফিসার জাহির হোসেনের বিরুদ্ধে আসা কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে, সেই সব অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। সেই কমিটির সদস্য হলেন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সোমনাথ ঘোষ। তিনি মূলত যে অভিযোগগুলি তদন্ত করবেন তার মধ্যে রয়েছে, নিয়োগের সময় জাহির সাহেব নিজের যেসব শংসাপত্র দাখিল করেছিলেন তা সঠিক কিনা, তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা ফিনান্স অফিসার হওয়ার পক্ষে যথার্থ কিনা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রকারের বিল মেটানোর সময় তিনি সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছ থেকে কোনোপ্রকার ঘুষ নেন কিনা। আগামী মাসের মধ্যে নিজের তদন্ত রিপোর্ট উচ্চ শিক্ষা দপ্তরে জমা দেওয়ার জন্য সোমনাথবাবুকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিন সেই নির্দেশিকার কপি সংবাদমাধ্যমের হাতে চলে আসার পরেই শুরু হয় হইচই। যদিও ফিনান্স অফিসার সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, একই অভিযোগে এর আগেও উচ্চশিক্ষা দপ্তর তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেয়। বিষয়টি আদালতেও গড়ায়। দুই জায়গা থেকেই তাঁকে নির্দোষ বলে ঘোষণা করা হয়। তারপরেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্মীদের একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে একই অভিযোগ আনছেন।


ফের সরগরম গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিনান্স অফিসারের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের নির্দেশ দিল রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তর।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ফিনান্স অফিসার বা তার সমতুল পদের জন্য অধ্যাপকদের মতোই শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন। কিন্তু নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে জাহির সাহেব যেসব তথ্য জমা দিয়েছেন তাতে দেখা যাচ্ছে, তিনি মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৪৩ শতাংশ, উচ্চমাধ্যমিকে ৪৪.৩ শতাংশ, বিকম প্রথম বর্ষে ৪৩.৪৪ শতাংশ নম্বর পেয়েছেন। শুধু তাই নয়, নিজের দাখিল করা শংসাপত্র অনুযায়ী জাহির সাহেব ১৯৮৭ সালে বিকম প্রথম বর্ষ উত্তীর্ণ হন। বিকম দ্বিতীয় বর্ষ উত্তীর্ণ হন ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষে। তার মধ্যেই তিনি ২০০৬ সালে নেতাজি ওপেন ইউনিভার্সিটি থেকে লেকচারার ডিগ্রি লাভ করেন।

এবিষয়ে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গোপালচন্দ্র মিশ্র বলেন, ফিনান্স অফিসারের বিরুদ্ধে রাজ্য উচ্চ শিক্ষা দপ্তর তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সেকথা ঠিক। কিন্তু তদন্তের স্বার্থেই এর থেকে বেশি কিছু আর বলতে পারবেন না তিনি। এদিকে জাহির সাহেবের বক্তব্য, এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে একই অভিযোগ আনা হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে রাজ্য উচ্চ শিক্ষা দপ্তর তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটিও গঠন করে। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। তদন্তের পর তিনি দুই জায়গা থেকেই ক্লিনচিট পান। এরপরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অচিন্ত্য বিশ্বাস তাঁকে ফিনান্স অফিসার পদে বহাল রাখেন। তার যাবতীয় নথিপত্র তাঁর কাছে রয়েছে।

ছবিঃ মিসবাহুল হক

#Education #DigitalDesk

হেডলাইন

প্রতিবেদন

ডিজিট্যাল যুগে বাধ সাধে নি লন্ঠন, যমজ বোনের সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকে

বিদ‍্যুৎ পরিষেবা পেলেও আর্থিক সঙ্কট থাকায় বকেয়া বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বাধ্য হয়েই তিন বছর ধরে লন্ঠনের আলোতেই পড়াশুনা চালিয়েছেন...

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.