top of page

দ্বিতীয়বার রেশম চাষ পরিদর্শনে সরকারের প্রতিনিধি দল

নীতি আয়োগের পর এবার রেশম চাষ খতিয়ে দেখলেন আইএএস অফিসারদের প্রতিনিধিদল। কালিয়াচকের শেরশাহী এলাকায় রেশম সুতো তৈরির যাবতীয় কাজ পরিদর্শনের পরে তাঁরা পুরাতন মালদার নারায়ণপুরের একটি সিল্ক ফ্যাক্টরিও পরিদর্শন করেন।


উল্লেখ্য, মালদা জেলায় প্রায় ২১ হাজার একর জমিতে তুঁতের চাষ হয়। জেলায় সবচেয়ে বেশি রেশম উৎপাদন হয় কালিয়াচকের তিনটি ব্লকে। বছরে গড়ে রেশম সুতো উৎপাদন হয় প্রায় ১৫০০ মেট্রিক টন কোকুন। তা থেকে হলুদ ও সাদা রংয়ের সুতো হয়ে থাকে। হলুদ সুতো স্থানীয় ভাষায় নিস্তারী নামে পরিচিত। বর্তমানে এর বাজারদর কিলো প্রতি চার থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা। আর উন্নত মানের সাদা সুতো বাইভোল্টাইনের বাজারদর কিলো প্রতি পাঁচ হাজার টাকা। গত ৪ মে কালিয়াচকের রেশম চাষ খতিয়ে দেখে নীতি আয়োগের চারজনের একটি প্রতিনিধি দল। ওই দলের নেতৃত্বে ছিলেন নীতি আয়োগের প্রতিনিধি মৃদুস্মিতা শর্মা। ছিলেন কেন্দ্রীয় রেশম পর্ষদের দুই বিজ্ঞানী ড. জি শ্রীনিবাস ও ড. বি ভি নাইডু। সেই পরিদর্শনের পর আইএএস অফিসারদের প্রতিনিধি দলের ফের পরিদর্শনে আশার আলো দেখছেন চাষিরা।



প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সংবাদমাধ্যমে কিছু জানাতে চাননি। তবে এলাকার এক রেশম রিলার মোহম্মদ শরিফ আলি জানান, আইএএস অফিসারদের প্রতিনিধি দলটি রিলিংয়ের কাজ পরিদর্শন করেছে। রেশম গুটি ও সুতোর মানও খতিয়ে দেখেছেন তাঁরা। এখন প্রতি কিলো সুতো চার থেকে সাড়ে চার হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাঁরা সবকিছু খতিয়ে দেখে খুশি হয়েছেন। সরকারিভাবে উন্নতমানের যন্ত্রপাতি এবং আর্থিক সহায়তার জন্য তাঁদের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।




আমাদের মালদা এখন টেলিগ্রামেও। জেলার প্রতিদিনের নিউজ পড়ুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

Comments


বিজ্ঞাপন

Malda-Guinea-House.jpg

আরও পড়ুন

bottom of page