বিজ্ঞাপন

নেতাজির সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ও চেয়ারম্যান, বিব্রত সকলে

প্রতি বছরই ইংরেজবাজার পুরসভার পক্ষ থেকে শহরের নেতাজি মোড়ে নেতাজি জন্মজয়ন্তী পালন করা হয়৷ নেতাজির ১২১তম জন্মজয়ন্তী পালনে এবছরও তার ব্যতিক্রম নয়৷ কিন্তু আজ সকালে সেখানে উপস্থিত সকলেই পুরসভার মঞ্চে নেতাজির ছবি সম্বলিত হোর্ডিং-এ চোখ পড়তেই চমকে যান৷ দেখা যায়, নেতাজি হোর্ডিং-এ অবশ্যই রয়েছেন৷ কিন্তু তাঁর একদিকে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অন্যদিকে পুরসভার চেয়ারম্যান নীহাররঞ্জন ঘোষ ও ভাইস চেয়ারম্যান দুলাল সরকার। উপস্থিত সকলের মনেই তখন প্রশ্ন, নীহারবাবু ও দুলালবাবু এবার কি নিজেদের নেতাজির সঙ্গে একাসনে থাকার চেষ্টা করছেন? শুধু সাধারণ মানুষ নয়, একই প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলের একাংশেরও৷ এনিয়ে সরব বিরোধীরাও, এমনকি শাসকদলের অন্দর থেকেও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে৷ তৃণমূলের এক নেতা তো চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানকে নেতাজির কৃতি সন্তান বলেও বিদ্রুপ করলেন৷ বিতর্ক ক্রমেই বড়ো হচ্ছে দেখে তড়িঘড়ি ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে পড়ল পুর কর্তৃপক্ষ৷ পুরসভার একটি বড়ো ব্যানার দিয়ে ঢেকে দেওয়া হল নীহারবাবু ও দুলালবাবুর ছবি৷ এতে হয়তো ছবি ঢাকা পড়ল, কিন্তু রাজনৈতিক মহলের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সমালোচনা ঢাকা যায়নি৷

সকালে নেতাজির মূর্তিতে মালা দিতে এসে পুরসভার সিপিএম কাউন্সিলর দুলালনন্দন চাকি ক্ষোভে ফেটে পড়েন৷ তিনি বলে উঠলেন, তিনি ৩ দফায় পুরসভার কাউন্সিলর৷ দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করে আসছেন৷ কিন্তু এমন ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি৷ নেতাজির ছবির পাশে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের ছবি তিনি মেনে নিতে পারছেন না৷ পুরসভার একজন কাউন্সিলর হিসাবে তিনি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন৷ তবে বর্তমানে এমন ঘটনাই রাজ্য জুড়ে চলছে বলে মন্তব্য করেন তিনি৷

হবিবপুরের সিপিএম বিধায়ক খগেন মুর্মুও ঘটনার প্রতিবাদ করেছেন৷ তিনি বলেন, এটাই তৃণমূলের সংস্কৃতি৷ যে কোনও বিষয়ে নিজেদের ছবি না থাকলে এরা খুশি হয় না৷ শান্তিতেও থাকতে পারে না৷ নেতাজির সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী কিংবা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের ছবি থাকা অশোভনীয়৷ পরে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের ছবি ঢেকে দেওয়া হলেও মুখ্যমন্ত্রীর ছবি ঢাকা না হওয়া প্রসঙ্গে খগেনবাবুর মন্তব্য, রাজ্যে তো এখন একজনই আছেন৷ তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তাঁর ছবি ঢাকা হলে নীহারবাবু কিংবা দুলালবাবুর পদ থাকবে কিনা তা প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে যাবে৷ তাই নেত্রী নেতাজীর পাশেই বহাল তবিয়তে থাকবেন৷

যদিও নীহারবাবু এই বিষয়টিতে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন৷ তিনি বলেন, আজ নেতাজির মূর্তিতে মালা দিতে গিয়ে বিষয়টি তাঁদের নজরে পড়ে৷ ওই হোর্ডিং পুরসভার অস্থায়ী কর্মীরা লাগিয়েছিলেন৷ যা ঘটেছে তার জন্য তিনি ক্ষমাপ্রার্থী৷ পরে তাঁদের ছবি ঢেকে দেওয়া হয়েছে৷ আর বিরোধীরা বিরোধিতা করবেই৷ এটাই তাদের কাজ৷ তবে ঘটনার সঙ্গে বিরোধীদের কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে কিনা সেটাও তাঁরা খতিয়ে দেখছেন৷

#Misc #DigitalDesk

বিজ্ঞাপন

Republic-Day.jpg
পপুলার
1

শহরের জঞ্জাল পরিষ্কার হবে কীভাবে? প্রশ্ন বঙ্গরত্নের

580

শহরের জঞ্জাল পরিষ্কার হবে কীভাবে? প্রশ্ন বঙ্গরত্নের
2

জেলায় দ্বিতীয় বইমেলার প্রস্তুতি শুরু

3030

জেলায় দ্বিতীয় বইমেলার প্রস্তুতি শুরু
3

স্থান বদলে শুরু হল মালদা বইমেলা, চলবে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত

3295

স্থান বদলে শুরু হল মালদা বইমেলা, চলবে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত
4

মালদায় শুরু করোনা টিকাকরণ, প্রথম টিকা পেলেন কৃষ্ণা

634

মালদায় শুরু করোনা টিকাকরণ, প্রথম টিকা পেলেন কৃষ্ণা
5

অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মালদায় এল করোনা ভ্যাকসিন

1194

অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মালদায় এল করোনা ভ্যাকসিন
Earnbounty_300_250_0208.jpg
At the Grocery Shop
টাটকা আপডেট

সাবস্ক্রিপশন

স্বত্ব © ২০২০ আমাদের মালদা

  • Facebook
  • Twitter
  • Instagram
  • YouTube
  • Pinterest
  • RSS