বিজ্ঞাপন

শহরে চলার ছাড়পত্র চায় পুরোনো টোটো

মালদা শহর মাত্রাতিরিক্ত টোটো নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সমস্যায় ভুগছে৷ পুরসভার তথ্য অনুযায়ী, এই মুহূর্তে শহরের রাস্তায় প্রায় ১৫ হাজার টোটো চলাচল করছে৷ কিন্তু বাস্তবে অন্তত ২৫ হাজার টোটো প্রতিদিন শহরের রাস্তায় চলাচল করে৷ টোটোর দাপটে রাস্তায় হাঁটাই দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে সাধারণ মানুষজনের৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ কিছুদিন আগে পুর কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয়, একমাত্র ই-রিকশাকেই শহরের রাস্তায় চলাচল করতে দেওয়া হবে৷ যেসব পুরোনো টোটো রাস্তায় চলাচল করে, তাদের যানকে ই-রিকশায় রূপান্তরিত করতে হবে৷ তার জন্য টোটোপিছু খরচ পড়বে প্রায় ৩০ হাজার টাকা৷ পুরসভার এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এর আগে পুরোনো টোটোর চালকরা চেয়ারম্যান নীহাররঞ্জন ঘোষের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান৷ সেই সময় নীহারবাবু তাঁদের আশ্বাস দেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলবেন তাঁরা৷ পুরোনো টোটোচালকদের যাতে আর্থিক সমস্যায় পড়তে না হয়, সেই বিষয়টিও দেখা হবে৷ তাঁর আশ্বাসে সেদিন বিক্ষোভ তুলে নেন টোটোচালকরা৷ সম্প্রতি জেলা প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেয়, বৈধ ই-রিকশা ছাড়া শহরের রাস্তায় কোনও টোটোকে চলাচল করতে দেওয়া হবে না৷ প্রশাসন সূত্রে খবর, সেই সিদ্ধান্তে সিলমোহর দেন জেলাশাসকও৷ অবৈধ টোটো ধরার ভার দেওয়া হয় জেলা পরিবহণ দপ্তরকে৷ গতকাল থেকে ধরপাকড়ের কাজ শুরু করেছে পরিবহণ দপ্তর৷ এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫০০ অবৈধ টোটো ধরা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷

এর প্রতিবাদে পুরোনো টোটোচালকরা ইংরেজবাজার পুরসভার সামনে বিক্ষোভ দেখানোর সিদ্ধান্ত নেন৷ দুপুর থেকে শুরু হয়েছে সেই বিক্ষোভ৷ নেতৃত্বে রয়েছেন গোপাল পোদ্দার ও বুদ্ধদেব সেন৷ গোপালবাবু বলেন, ইংরেজবাজার পুরসভাই এর আগে পুরোনো টোটোর লাইসেন্স দিয়েছে৷ এখন বলা হচ্ছে সেই সব টোটো (#Toto) অবৈধ৷ তাঁদের প্রশ্ন, তাহলে আগে সেই সব টোটোর লাইসেন্স দেওয়া হল কীভাবে? যাঁরা আগে টোটো কিনে সংসার প্রতিপালন করছেন, এখন তাঁদের দায় কে নেবে? তাঁরা পুর কর্তৃপক্ষের কাছে এসব প্রশ্নের উত্তর চান৷ তা না হলে তাঁদের আন্দোলন চলতে থাকবে৷

পরের খবরঃ টোটোবিহীন শহরের সাক্ষী মালদা

সঞ্জয় দত্ত, রফিক আহমেদ, নরেন মণ্ডল সহ একাধিক টোটোচালকের অভিয়োগ, জেলা পরিবহণ দপ্তরের কর্মীরা গতকাল থেকে পুরোনো টোটো ধরপাকড় শুরু করেছেন৷ বেশি ভাড়ার লোভ দেখিয়ে তাঁরা তাঁদের টোটোয় বসে পার্কে যেতে বলছেন৷ পার্কে গেলেই টোটো আটকে দেওয়া হচ্ছে৷ অনেক পরিবহণ কর্মী আবার এই সুযোগে ঘুষ নিয়ে পুরোনো টোটো ছেড়ে দিচ্ছেন৷ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরির আমলে তাঁদের টোটোকে পুরসভার পক্ষ থেকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল৷ এখন টোটো বন্ধ করে দেওয়া হলে তাঁরা সংসার চালাবেন কীভাবে? পেটের তাগিদে তাঁরা এদিন এনিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনে নেমেছেন৷

তৃণমূলেরই আরেকটি অংশের আন্দোলন শেষ পর্যন্ত কী রূপ পায়, তা দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন শহরবাসী৷ প্রসঙ্গত, জেলার রাজনীতিতে বুদ্ধদেব সেন, গোপাল পোদ্দাররা কৃষ্ণেন্দুবাবুর অনুগামী হিসেবেই পরিচিত৷ আর নীহারবাবু কিংবা ভাইস চেয়ারম্যান দুলাল সরকার ঘোরতোর কৃষ্ণেন্দুবিরোধী৷ বিধানসভার অধিবেশনে যোগ দিতে বর্তমানে কলকাতায় রয়েছেন নীহারবাবু৷ দুলালবাবুও এদিন পুরসভায় আসেননি৷ তাই এনিয়ে তাঁদের প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি৷


বিজ্ঞাপন

MGH
পপুলার
1

জেলায় দ্বিতীয় বইমেলার প্রস্তুতি শুরু

2689

জেলায় দ্বিতীয় বইমেলার প্রস্তুতি শুরু
2

স্থান বদলে শুরু হল মালদা বইমেলা, চলবে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত

3259

স্থান বদলে শুরু হল মালদা বইমেলা, চলবে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত
3

মালদায় শুরু করোনা টিকাকরণ, প্রথম টিকা পেলেন কৃষ্ণা

629

মালদায় শুরু করোনা টিকাকরণ, প্রথম টিকা পেলেন কৃষ্ণা
4

অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মালদায় এল করোনা ভ্যাকসিন

1186

অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মালদায় এল করোনা ভ্যাকসিন
5

বাসের জন্য নতুন স্টপেজ রথবাড়িতে

5943

বাসের জন্য নতুন স্টপেজ রথবাড়িতে
Earnbounty_300_250_0208.jpg
At the Grocery Shop
টাটকা আপডেট

সাবস্ক্রিপশন

স্বত্ব © ২০২০ আমাদের মালদা

  • Facebook
  • Twitter
  • Instagram
  • YouTube
  • Pinterest
  • RSS