বিজ্ঞাপন

আগামী বছর শহরে প্রতি ঘরে আর্সেনিকমুক্ত জল

ডেঙ্গি নিয়ে ব্যতিব্যস্ত ইংরেজবাজার পুরসভা কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন মহলের তোপের মুখে ইংরেজবাজার পুরসভা। আর ঠিক তখনই শহরবাসীর জন্য সুখবর শোনালেন পুরসভার চেয়ারম্যান নীহাররঞ্জন ঘোষ। তিনি বক্তব্য অনুযায়ী, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী বছরেই শহরের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দেওয়া হবে আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জল। তবে বিনা খরচে তা মিলবে না, এর জন্য খরচ করতে হবে শহরবাসীকে, কারণ এই জলের জন্য সামান্য হারে হলেও কর ধার্য করবে ইংরেজবাজার পুরসভা কর্তৃপক্ষ।


প্রথমে প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছিল ৫৫ কোটি টাকা, কিন্তু ভুলের জন্য প্রকল্পের খরচ বেড়ে হয়েছে ১০৩ কোটি টাকা। পরবর্তীতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেক্রমে অতিরিক্ত ৪৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত সমগ্র মালদা জেলাতেই ভূগর্ভস্থ পানীয় জলে মিশে রয়েছে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক ও ফ্লুরাইড রাসায়নিক। ইংরেজবাজার শহরও তার ব্যতিক্রম নয়। সেদিকে লক্ষ্য রেখে শহরে আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জল সরবরাহের উদ্যোগ নেন পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরি। মূলতঃ তাঁরই উদ্যোগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মালদায় এসে এই প্রকল্পের কথা ঘোষণাও করেছিলেন। এই প্রকল্পের জন্য পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর প্রাথমিকভাবে ৫৫ কোটি টাকা বরাদ্দও করে। প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী ইতিমধ্যেই নিমাইসরাই এলাকায় মহানন্দা নদীতে ইনটেক পয়েন্ট তৈরি হয়ে গেছে। ইংরেজবাজার শহরের বিভিন্ন জায়গায় নির্মিত হয়েছে ছটি ওভারহেড রিজার্ভার। কোতোয়ালিতে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের কাজও প্রায় শেষ বলে পুরসভা সূত্রের খবর।

পুরসভার চেয়ারম্যান নীহাররঞ্জন ঘোষ বলেন, তিনি আশা প্রকাশ করেন আগামী ২০১৮ সালের মধ্যে পুরসভা মালদা শহরের ঘরে ঘরে আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জল পৌঁছে দিতে পারবে। এই প্রকল্পে টেকনিক্যাল কিছু ভুল থাকার জন্য কাজটি শেষ হতে বেশ কিছুটা দেরি হয়ে গেছে বলে জানান তিনি। প্রথমে এই প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছিল ৫৫ কোটি টাকা, কিন্তু সেই ভুলের জন্য প্রকল্পের খরচ বেড়ে হয়েছে ১০৩ কোটি টাকা। বাড়তি অর্থের জন্য পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। পরবর্তীতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেক্রমে অতিরিক্ত ৪৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইনটেক পয়েন্ট, ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট ও ওভারহেড রিজার্ভার তৈরির কাজ শেষ হয়ে গেছে। বেশ কিছু ওয়ার্ডে নতুন পাইপলাইন বসানোর কাজও প্রায় শেষ হয়ে গেছে। তবে কিছু ওয়ার্ডে এখনও পাইপলাইন বসানো হয়নি। কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। বাকি ভূগর্ভস্থ রিজার্ভার তৈরির কাজ শেষ হলেই সেখানে একটি সাবস্টেশন তৈরি করা হবে। তারপরই শহরের ঘরে ঘরে আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া যাবে। তবে সেই কাজ শেষ হতে এখনও পাঁচ থেকে ছ’মাস সময় লাগতে পারে বলে জানান নীহারবাবু।

নীহারবাবু আরও বলেন, বাড়িতে আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জল পেতে গেলে শহরবাসীকে কর দিতে হবে এরজন্য তিনি পূর্ববর্তী চেয়ারম্যানের এই নির্দেশিকায় স্বাক্ষর করার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তবে করের হার এখনও নির্ধারণ হয়নি। তাঁর বিশ্বাস, মানুষ পরিশুদ্ধ জল পেলে নিশ্চয়ই পুরসভাকে কর দিতে রাজি হবেন।

#Misc #DigitalDesk #SubhashisSen

বিজ্ঞাপন

MGH-Advt.jpg
পপুলার
1

চোরাই মোবাইল পাচারচক্রের হদিশ, ধৃত তিন

চোরাই মোবাইল পাচারচক্রের হদিশ, ধৃত তিন
2

সরানো হল মালদা সদর মহকুমাশাসককে

সরানো হল মালদা সদর মহকুমাশাসককে
3

কেন ইংলিশবাজার? নাম পরিবর্তনের ইচ্ছে বিজেপি প্রার্থীর

কেন ইংলিশবাজার? নাম পরিবর্তনের ইচ্ছে বিজেপি প্রার্থীর
4

ইংরেজবাজারে উদ্ধার মানুষের মাথার খুলি

ইংরেজবাজারে উদ্ধার মানুষের মাথার খুলি
5

করোনায় আক্রান্ত রেলকর্মীর মৃত্যু, আতঙ্ক মালদা শহরে

করোনায় আক্রান্ত রেলকর্মীর মৃত্যু, আতঙ্ক মালদা শহরে
Earnbounty_300_250_0208.jpg
টাটকা আপডেট