বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টা
f.jpg

বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টা

বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টা করল ৪ যুবক৷ ওই ছাত্রী বর্তমানে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন৷ ঘটনায় আতঙ্ক গ্রাস করেছে তার পরিবারকে৷ সেকারণে এখনও পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানোর সাহস পাননি ছাত্রীর অভিভাবকরা৷ সোমবার সন্ধে নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে ইংরেজবাজার থানার কাঞ্চনটার এলাকায়৷ ছাত্রীটির নাম রিংকি দাস৷ বাবা বিফল দাস পেশায় শ্রমিক৷ মা দীপালিদেবী সাধারণ গৃহবধূ৷ তাঁদের তিন মেয়ে৷ রিংকি তাঁদের মেজ মেয়ে৷ তাঁদের বাড়ি কাঞ্চনটার সংলগ্ন একে গোপালন কলোনিতে৷


রিংকি জানায়, বছরখানেক ধরেই চলাফেরার পথে তাকে উত্যক্ত করত সিটু ঘোষ নামে এক যুবক৷ তার বাড়ি এলাকারই খাসিমারি গ্রামে৷ প্রথমদিকে সে তাকে কোনও পাত্তা দেয়নি৷ কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তার উত্যক্তের মাত্রা বাড়তে থাকে৷ সিটু তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়৷ কিন্তু বিয়ে করা দূরের কথা, সে সিটুর সঙ্গে কথা বলতেও অস্বীকার করে৷ সে পড়তে চায়৷ সে কাঞ্চনটার হাইস্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়ে৷ গতকাল স্কুলে সবুজ সাথী প্রকল্পের সাইকেল পাওয়ার জন্য ফর্ম ফিল-আপ করার দিন ছিল৷ প্রতিদিনের মতো সে গতকালও স্কুলে যায়৷ ফর্ম ফিল-আপ করে স্কুল থেকে বেরোতে খানিকটা দেরি হয়ে যায় তার৷ হেঁটে বাড়ি ফেরার সময় তার রাস্তা আটকে দাঁড়ায় সিটু৷ সে মোটরবাইক সঙ্গে নিয়ে এসেছিল৷ তার সঙ্গে দুই বন্ধুও ছিল৷ তারা তাকে জোর করে মোটরবাইকে চাপানোর চেষ্টা করে৷ সেই সময় ওই এলাকায় লোকজন তেমন ছিল না৷ তবুও বাঁচতে সে প্রাণপণে চিৎকার শুরু করে৷ তার চিৎকারে সিটুরা তাকে আরও টানাটানি করতে শুরু করে৷ এতে তার শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত লাগে৷ সৌভাগ্যের বিষয়, তার চিৎকারে কয়েকজন সেখানে এগিয়ে আসেন৷ তাদের দেখেই মোটরবাইকের সঙ্গে তাকে ছেড়ে দিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায় সিটুরা৷ স্থানীয়রাই ঘটনাটি জানান তার মাকে৷ ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন তার অভিভাবকরা৷ ঘটনাস্থল থেকেই তাকে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়৷

দীপালিদেবী জানান, বছরখানেক আগেই মেয়ে তাঁকে জানিয়েছিল, সিটু তাকে উত্যক্ত করছে৷ শুধু রাস্তাঘাটেই নয়, সিটু তাঁদের বাড়িতে এসেও রিংকিকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়৷ বিয়ে না দিলে সে রিংকিকে তুলে নিয়ে যাওয়ারও হুমকি দেয়৷ কিন্তু তাঁরা এখন মেয়ের বিয়ে দেবে না বলে জানিয়ে দেন৷ অবশেষে সোমবার স্কুল থেকে ফেরার পথে সিটুরা তিন জন তাঁর মেয়েকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে৷ যদিও স্থানীয় মানুষের তৎপরতায় তারা সফল হতে পারেনি৷ কিন্তু এখনও সিটু তাঁদের ফোনে হুমকি দিচ্ছে৷ হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফিরে গেলে সে ফের রিংকিকে উঠিয়ে নিয়ে যাবে বলছে৷ এনিয়ে পুলিশে অভিযোগ করলে দেখে নেওয়ার হুমকিও দিচ্ছে সে৷ ভয়ে এখনও তাঁরা থানায় অভিযোগ জানাননি৷ তাঁর স্বামী আসলে এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন৷ তবে তিনি সিটুর শাস্তি চান৷

#Crime #DigitalDesk

হেডলাইন

প্রতিবেদন

ডিজিট্যাল যুগে বাধ সাধে নি লন্ঠন, যমজ বোনের সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকে

বিদ‍্যুৎ পরিষেবা পেলেও আর্থিক সঙ্কট থাকায় বকেয়া বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বাধ্য হয়েই তিন বছর ধরে লন্ঠনের আলোতেই পড়াশুনা চালিয়েছেন...

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.