১৩ বছর জেলে বন্দি মুসলিম চাচা
f.jpg

১৩ বছর জেলে বন্দি মুসলিম চাচা


প্রমাণিত হল না তাঁর বিরুদ্ধে আনা রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ। অথচ সেই অভিযোগেই গত ১৩ বছর ধরে সংশোধনাগারে বন্দি তিনি। এদিন মালদা জেলা আদালতের অ্যাডিশনাল সেসনস ফাস্ট ট্র‍্যাক ফাস্ট কোর্টের বিচারক আসামী ইজাজ আহমেদ ওরফে মুসলিম চাচার বিরুদ্ধে আনা দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগ খণ্ডন করে দেন। তবে আরেকটি মামলায় দোষী সব্যস্ত হয়েছেন ইজাজ। সেই মামলায় আগামীকাল তাঁর সাজা ঘোষণা হবে।


ইনটেলিজেন্স ব্রাঞ্চ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ ২০০৫ সালের ২০ মার্চ ইজাজের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। সেই অভিযোগে বলা হয়, ইজাজ পাকিস্তানের নাগরিক। তার বাড়ি সেদেশের ভাওয়ালনগরে। তার ঠিকানা ফয়জল কলোনি, স্ট্রিট নম্বর ৪, গলি নম্বর ১৩। সেখানে ১১৩ নম্বর বাড়ির বাসিন্দা সে। সে লস্কর-ই-তৈবার আল বদর গ্রুপের সদস্য। জঙ্গি গোষ্ঠীর জন্য সদস্য সংগ্রহ করা তার কাজ। সেই কাজেই সে কালিয়াচকে এসেছে। এই অভিযোগ পেয়ে সেদিনই একটি বাড়ি থেকে ইজাজকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শুরু হয় বিচার প্রক্রিয়া। প্রথমে মালদা জেলা আদালতের কোনও আইনজীবী ইজাজের পক্ষে ওকালতি করতে রাজি হননি। শেষে জেলা লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে তাঁর হয়ে মামলা লড়তে রাজি হন জেলা আদালতের আইনজীবী সুদীপ্ত গঙ্গোপাধ্যায়।

সুদীপ্তবাবু এদিন জানান, ইজাজের বিরুদ্ধে ভারতীয় আইনের ১২০ বি, ১২১ (এ), ১২১ (২), ১২৪ এ ও ১৪ বৈদেশিক আইনের ধারায় মামলা রুজু হয়। শুরু হয় বিচার প্রক্রিয়া। তাকে বিভিন্ন সময় জম্মু ও কাশ্মীর, পাঞ্জাব ও রাজস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তার বিরুদ্ধে আনা প্রথম চারটি মামলায় কোনও প্রমাণ আদালতে পেশ করতে পারেনি সরকার পক্ষ। এদিন জেলা আদালতের অ্যাডিশনাল সেসনস ফাস্ট ট্র‍্যাক ফাস্ট কোর্টের বিচারক রাজেশ তামাং ওই ৪টি ধারা থেকে ইজাজকে মুক্তি দিয়েছেন। তবে ইজাজ দাবি করেছিলেন, তাঁর বাড়ি কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলার করোলগঞ্জ সংলগ্ন আসিপুরায়। কিন্তু দীর্ঘ প্রচেষ্টার পরেও সেখানে ইজাজের পরিবারের সন্ধান মেলেনি। এই মামলায় তাঁকে দোষী সব্যস্ত করেছেন বিচারক। আগামীকাল এই মামলার রায় ঘোষণা করবেন তিনি।

এদিকে আদালত থেকে বেরোনোর সময় ইজাজ বলেন, তিনি নির্দোষ। কোনও দোষ না করেই তাঁকে ১৩ বছর ধরে জেলে থাকতে হচ্ছে। তবে দেশের বিচারব্যাবস্থায় তাঁর আস্থা রয়েছে। আগামীকাল বিচারক যা সাজা ঘোষণা করবেন, তিনি মাথা পেতে নেবেন। এদিন আদালত থেকে সংশোধনাগারে যাওয়ার সময় 'মেরা ভারত মহান' বলে স্লোগানও দেন ইজাজ।

#DigitalDesk #Misc

হেডলাইন

প্রতিবেদন

ডিজিট্যাল যুগে বাধ সাধে নি লন্ঠন, যমজ বোনের সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকে

বিদ‍্যুৎ পরিষেবা পেলেও আর্থিক সঙ্কট থাকায় বকেয়া বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বাধ্য হয়েই তিন বছর ধরে লন্ঠনের আলোতেই পড়াশুনা চালিয়েছেন...

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.