সর্পাহত ছাত্রের মৃত্যু, চিকিত্সায় গাফিলতির অভিযোগ

সর্পাহত ছাত্রের মৃত্যু, চিকিত্সায় গাফিলতির অভিযোগ


ফের চিকিত্সায় গাফিলতির অভিযোগ উঠল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের বিরুদ্ধে। এদিন সকালে সর্পাহত ছাত্রের মৃত্যুর পরেই মেডিক্যাল কলেজের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন মৃতের পরিবারের লোকজন। যদিও মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যক্ষ তথা হাসপাতাল সুপার জানিয়েছেন, এনিয়ে এখনও পর্যন্ত তাঁদের কাছে কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি৷

যুগলটোলা হাইস্কুলে নবম শ্রেণিতে পাঠরত মৃত ছাত্রের নাম জগত মণ্ডল৷ বয়স ১৪ বছর৷ তার মামার বাড়ি কালিয়াচক ২ নম্বর ব্লকের যুগলটোলা গ্রামে৷ পড়াশোনার জন্যই সে মামার বাড়িতে থাকত৷ মামা গৌতম মণ্ডল কৃষিজীবী৷ শ্রমিকের কাজও করেন তিনি৷ মামি রেখা মণ্ডল সাধারণ গৃহবধূ৷ গতকাল মাঝরাতে বিছানায় জগতকে বিষাক্ত সাপ ছোবল দেয়৷


পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্যান্য দিনের মতো সোমবার রাতেও খাবার খেয়ে ঘুমোতে যায় জগত৷ বিছানাতে মশারির নীচে ঘুমিয়েছিল সে৷ কিন্তু সেখানেই যে বিষাক্ত সাপ লুকিয়ে ছিল তা তাঁরা কেউ জানতে পারেননি৷ রাত ২টো নাগাদ সেই বিষাক্ত সাপ পরপর দু’বার জগতকে ছোবল দেয়৷ অন্ধকারে হাত জগত সাপের অস্তিত্ব টের পায়৷ সে সাপটিকে ছুঁড়ে ফেলে দেয়৷ বাড়ির সবাইকে ঘুম থেকে তুলে জানায়, তাকে সাপে কামড়েছে৷ তাঁরাও জগতের পায়ে সাপ কামড়ানোর চিহ্ন দেখতে পান৷ সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় বাঙ্গীটোলা গ্রামীণ হাসপাতালে৷ ৩০ মিনিট সেখানে রাখার পর সেখানকার চিকিৎসক জগতকে মালদা মেডিক্যালে রেফার করে দেন৷ ভোর রাতে তাকে মালদা মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়৷ তখনই তাকে একটি ইনজেকশন দেওয়া হয়৷ কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি৷ এদিন সকালে মারা যায় জগত৷ গৌতমবাবুর অভিযোগ, মালদা মেডিক্যালে জগতের কোনও চিকিৎসাই করা হয়নি৷ কোনও চিকিৎসকও তাকে দেখতে আসেননি৷ মারা যাওয়ার পর এক চিকিৎসক তাকে দেখতে আসেন৷ তাঁদের সাফ কথা, চিকিৎসার গাফিলতিতেই তাঁর ভাগনের মৃত্যু হয়েছে৷

এপ্রসঙ্গে মালদা মেডিক্যালের সহকারী অধ্যক্ষ তথা হাসপাতাল সুপার অমিত দাঁ বলেন, এব্যাপারে এখনও পর্যন্ত তাঁর কাছে কেউ লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ জানাননি৷ তবে মালদা মেডিক্যালে কোনও রোগীকে ভর্তির পর কোনও চিকিৎসক সেই রোগীকে দেখবেন না, এমন কখনও হয় না৷ সম্ভবত সর্পাহত ওই কিশোরকে অনেক দেরি করে হাসপাতালে নিয়ে আসার জন্যই তাকে বাঁচানো যায়নি৷ মালদা জেলার ক্ষেত্রে এটা বড়ো সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ গ্রামীণ হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টি ভেনাম মজুত রয়েছে৷ মালদা মেডিক্যালেও তার কোনও অভাব নেই ৷ সর্পাহত রোগীকে প্রথমেই সেই ইনজেকশন দেওয়া হলে সেই রোগীকে সহজেই সুস্থ করে তোলা যায়৷ কিন্তু রেফার করা হলে সময় অনেকটা পেরিয়ে যায়৷ সেক্ষেত্রে রোগীকে বাঁচানো সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়৷ তবে এক্ষেত্রে ঠিক কী হয়েছে, তাঁর জানা নেই৷ বিষয়টি তিনি খোঁজখবর নিয়ে দেখছেন৷

প্রতীকী ছবি সৌজন্যে পিক্স অ্যাবে।

#DigitalDesk #Medical

হেডলাইন

প্রতিবেদন

কোয়রান্টিন সেন্টারে জন্মদিনের পার্টি, নজির গড়ল দীপান্বিতা

জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বন্ধুদের বাড়িতে ডেকে খাওয়ানো নয়, পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে খাবার বিতরণ করে নজির সৃষ্টি করল ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী। গত...

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.