ভরতির দাবিতে পথে নামল জিকেসিআইইটি’র পড়ুয়ারা

ভরতির দাবিতে পথে নামল জিকেসিআইইটি’র পড়ুয়ারা

ভরতির দাবিতে গণি খান ইন্সটিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির পড়ুয়াদের আন্দোলন নামল রাস্তায়৷ নিজেদের দাবিতে এদিন মালদা শহরে একটি মিছিল করেন জিকেসিআইইটি’র পড়ুয়ারা৷ যদিও ওই প্রতিষ্ঠানের ডিরেক্টর তথা চেয়ারম্যান ইন চার্জ জানিয়ে দিয়েছেন, অ্যাফিলিয়েশনের পর ভরতি কিংবা পরীক্ষার বিষয়টি আর তাঁদের হাতে নেই৷ যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার মৌলনা আবুল কালাম আজাদ টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি ও রাজ্য সরকারের উচ্চশিক্ষা বিভাগ নেবে৷


জিকেসিআইইটি’র ডিপ্লোমা উত্তীর্ণ এবং বিটেক-এ পাঠরত পড়ুয়ারা পরবর্তী ভরতির দাবিতে গত ১৩ দিন ধরে পুরাতন মালদার নারায়ণপুর ক্যাম্পাসে আমরণ অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন৷ কর্তৃপক্ষ থেকে কোন সাড়া না পেয়ে এদিন তাঁরা নিজেদের দাবিতে মালদা শহরে একটি মিছিল করেন৷ তাঁদের একজন সুপ্রিয়া সরকার বলেন, অ্যাফিলিয়েশন মিললেও জিকেসিআইইটি কর্তৃপক্ষ তাঁদের ভরতি নিচ্ছে না৷ একই ধরনের আরও তিনটি প্রতিষ্ঠানে সেখানকার পড়ুয়াদের ভরতি প্রক্রিয়া চললেও (ল্যাটারাল এন্ট্রি) জিকেসিআইইটি কর্তৃপক্ষ এব্যাপারে নীরব৷ সেকারণেই গত ১৩ দিন ধরে তাঁরা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসে আমরণ অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন৷ তবুও কর্তৃপক্ষের টনক নড়েনি৷ শুধু তাই নয়, এখানে মাত্র ৩টি ব্যাচের বিটেক কোর্সে ভরতি নেওয়া হচ্ছে৷ কিন্তু সিভিল ও কম্পিউটার সায়েন্সে এখনও অ্যাপ্রুভাল নেই৷ তাঁরা ওই দুটি কোর্সেও ল্যাটারাল এন্ট্রি চান৷ নিজেদের দাবিতে তাঁরা জেলাশাসককেও ডেপুটেশন দিয়েছেন৷

জিকেসিআইইটির ডিরেক্টর তথা চেয়ারম্যান ইন চার্জ পরমেশ্বর রাও আলাপতি জানান, গত ৮ বছর ধরে এই প্রতিষ্ঠানে বাস্তবিকই প্রচুর সমস্যা ছিল৷ অ্যাফিলিয়েশন ছাড়াই পড়ুয়াদের বিটেক কোর্সে তুলে দেওয়া হয়েছিল৷ এর ফলেই ২০১৪-১৬ ও ২০১৫-১৭ শিক্ষাবর্ষের পাসআউট ও মাঝপথে থেমে যাওয়া বিটেক কোর্সের দুটি ব্যাচের পড়ুয়ারা সমস্যায় পড়েছেন৷ তাঁরা সার্টিফিকেট পাননি৷ তবে ল্যাটারাল এন্ট্রির দাবিতে যে পড়ুয়ারা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে৷ সম্প্রতি তাঁরা এই প্রতিষ্ঠানের অ্যাফিলিয়েশন পেয়েছেন৷ অ্যাফিলিয়েশন দিয়েছে মৌলনা আবুল কালাম আজাদ টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি৷ পরবর্তীতে পড়ুয়াদের ভরতি কিংবা সার্টিফিকেট দেবে ওই প্রতিষ্ঠান ও রাজ্য সরকারের উচ্চশিক্ষা বিভাগ৷ এক্ষেত্রে তাঁদের কিছু করার নেই৷

অ্যাফিলিয়েশন পাওয়ার পর জিকেসিআইইটিতে ভরতি হতে ইচ্ছুক পড়ুয়াদের জেইই’র মাধ্যমে আসতে হবে৷ সারা দেশের পড়ুয়ারাই সেভাবে এখানে ভরতি হতে পারেন৷ আপাতত এখানে ফুড টেকনোলজি, মেকানিক্যাল ও ইলেক্ট্রিক্যাল কোর্সের অ্যাফিলিয়েশন মিলেছে৷ প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষে এই তিনটি কোর্সে ৬০টি করে মোট ১৮০টি আসন রয়েছে৷ যাঁদের ল্যাটারাল এন্ট্রির মাধ্যমে এখানে ভরতি নেওয়া হবে তাঁদেরও সেই আসনের মধ্যেই রাখতে হবে৷ জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে এই প্রতিষ্ঠানে ডিপ্লোমা পাসআউট ও ডিপ্লোমা পাঠরত পড়ুয়ার সংখ্যাও প্রায় ১৮০ জন৷ এই পরিস্থিতিতে নিশ্চিতভাবেই কর্তৃপক্ষ সবাইকে ল্যাটারাল এন্ট্রির মাধ্যমে ভরতি নিতে পারবে না৷

ভিডিয়োঃ কৃতাঙ্ক

#DigitalDesk #Education

হেডলাইন

প্রতিবেদন

কোয়রান্টিন সেন্টারে জন্মদিনের পার্টি, নজির গড়ল দীপান্বিতা

জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বন্ধুদের বাড়িতে ডেকে খাওয়ানো নয়, পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে খাবার বিতরণ করে নজির সৃষ্টি করল ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী। গত...

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.