বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্র ও কাগজের বিল ৩ কোটি
f.jpg

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্র ও কাগজের বিল ৩ কোটি


খবরটা শুনলে আঁতকে উঠতে হবে, প্রশ্নপত্র ছাপানো ও কাগজপত্র সরবরাহের বার্ষিক বিল ৩ কোটি টাকার উপর? কিন্তু আঁতকে উঠলেও বাস্তবে এটাই সত্যি। ঘটনাটি ঘটেছে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে। এই দুই কাজের জন্য একটি বেসরকারি সরবরাহ সংস্থা তেমনই বিল জমা করেছে। শুধু তাই নয়, কলকাতা থেকেই বকেয়া বিল দ্রুত মেটানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জরুরি নির্দেশ দিয়েছেন উপাচার্য এবং তাঁর নির্দেশ পেয়ে বিলের একটি অংশ নিয়ে তড়িঘড়ি কলকাতা ছুটে গেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সহকারি রেজিস্ট্রার সুদীপ্ত শীল। এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিনান্স অফিসারেরও। যদিও তিনি উপাচার্যের নির্দেশ উপেক্ষা করতে পারেননি।


উল্লেখ্য ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কম্পিউটার কনসালটেন্ট নামে একটি বেসরকারি এজেন্সিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশ্নপত্র ও কাগজ সবরাহের জন্য নিয়োগ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, ওই সংস্থাকে নিয়োগ করতে তৎপরতা দেখিয়েছিলেন খোদ উপাচার্য গোপালচন্দ্র মিশ্র। কোনও টেন্ডার ছাড়াই ওই সংস্থাটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় প্রশ্নপত্র ও অন্য কাগজপত্র সরবরাহের বরাত দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। যদিও সেই সব কাজের জন্য কোনও দর ঠিক করা হয়নি এবং এক্ষেত্রে কোন সরকারি নিয়মও মানা হয়নি। এই কাজের জন্য ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে সংস্থাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ৩ কোটিরও বেশি টাকার বিল জমা দেয় আর সেই বিল দেখে টনক নড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক আধিকারিকের। এই ঘটনা নিয়ে গুঞ্জন ছড়ায় অধ্যাপক মহলেও। জানা যায়, ২০১২-১৩ সালে এই একই কাজের জন্য তৎকালীন আরেকটি বেসরকারি সংস্থা ২০ লাখ টাকারও কম বিল জমা করেছিল, ফলে এই ৫ বছরের মধ্যে কি করে একই কাজের জন্য খরচ কিভাবে এতটা বেড়ে গেল তা অজানা। এদিকে নিজে ছুটিতে কলকাতায় থাকলেও ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কম্পিউটার কনসালটেন্ট নামে সংস্থাটির বকেয়া বিল মেটাতে তৎপর হয়ে উঠেছেন উপাচার্য। ইতিমধ্যে তিনি নির্দেশ পাঠিয়ে সংস্থাটির বকেয়া বিলের মধ্যে ৬৬ লাখ ৩৯ হাজার ৪৫০ টাকার চেক দ্রুত কলকাতায় চেয়ে পাঠিয়েছেন। আর তাঁর নির্দেশ পেয়েই ওই অর্থমূল্যের ৫টি চেক নিয়ে কলকাতা চলে গিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত সহকারী রেজিস্টার সুদীপ্ত শীল। বিল মেটাতে উপাচার্যের কেন এত হুড়োহুড়ি, তা জানার চেষ্টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আধিকারিকদের একাংশ।

গোটা ঘটনায় অবশ্য সরব হয়েছেন ওয়েবকুপার গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিট সম্পাদক সাধন সাহা। তিনি বলেন যে ছাত্র আন্দোলনে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে কার্যত অচলাবস্থা, তখন পড়ুয়াদের কথা না ভেবে উপাচার্য কেন ওই বেসরকারি সংস্থাটির বকেয়া বিল মেটাতে তৎপর হয়েছেন তা বোঝা যাচ্ছে না। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিনান্স অফিসার বিনয়কৃষ্ণ হালদার সাফ জানিয়েছেন, ওই বিল নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। তিনি তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো সত্ত্বেও উপাচার্য কলকাতা থেকে জরুরি নির্দেশ পাঠানোয় তিনি সেই বিলের একাংশের মোটা টাকার চেক কলকাতায় উপাচার্যের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

#Education #DigitalDesk #SubhashisSen

হেডলাইন

প্রতিবেদন

ডিজিট্যাল যুগে বাধ সাধে নি লন্ঠন, যমজ বোনের সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকে

বিদ‍্যুৎ পরিষেবা পেলেও আর্থিক সঙ্কট থাকায় বকেয়া বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বাধ্য হয়েই তিন বছর ধরে লন্ঠনের আলোতেই পড়াশুনা চালিয়েছেন...

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.