বিজ্ঞাপন

সরকারি জায়গায় বেআইনি ক্লাব, জেলাশাসকের হানা

জেলা আদালত ও জেলা পুলিশের সদর দপ্তরের পাশে সরকারি জমি, আদালত লাগোয়া জেলা প্রশাসনিক ভবন৷ পুলিশ ও প্রশাসনের ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে থাকা সেই জমিই দখল করে তৈরি হয়েছে দোতলা ক্লাবঘর৷ সাধারণ নয়, পুরোপুরি বাতানুকূল৷ অন্ধকারের চাদর পড়লে সেখানে নাকি মাঝেমধ্যে মোচ্ছবও শুরু হয়৷ অন্তত স্থানীয়দের বক্তব্যে তাই প্রকাশ পাচ্ছে৷ এদিন দুপুরেও আড্ডার আসর বসেছিল সেই ক্লাবঘরে৷ তারপর যা ঘটল, তাতে ক্লাব সদস্যসের ‘ছেড়ে দে মা কেদি বাঁচি’ অবস্থা৷


Dm notice demolishing illegal club


প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে হাজির খোদ জেলাশাসক৷ তাঁকে দেখেই ক্লাব সদস্যদের পালানোর ধুম৷ তারমধ্যেও আটকে গেলেন জনা কয়েক৷ ততক্ষণে সেখানে হাজির হয়েছেন পুলিশ সুপারও৷ জেলাশাসকের প্রশ্নের মুখে দৃশ্যতই নাজেহাল ক্লাব সদস্যরা৷ মালদা শহরের বুকে, প্রশাসনিক ভবন লাগোয়া এলাকায় সরকারি জমি দখল করে ক্লাবঘর নির্মাণের ঘটনায় বিস্মিত জেলাশাসক৷ সম্প্রতি প্রশাসনিক ভবন, পুলিশ অফিস ও আদালত চত্বর এলাকায় পুরোনো ভগ্নপ্রায় ভবনগুলি ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ কয়েকটি ক্ষেত্রে তার কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে৷ প্রশাসনিক কর্তাদের নিয়ে এদিন সেসবই খতিয়ে দেখছিলেন জেলাশাসক কৌশিক ভট্টাচার্য৷ সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) আর ভিমলা, ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক তথা অতিরিক্ত জেলাশাসক দেবতোষ মণ্ডল সদর মহকুমাশাসক সৈয়দ এন ও জেলা গ্রামোন্নয়ন আধিকারিক সুকান্ত সাহা৷ তখনই জেলার প্রশাসনিক প্রধানের নজরে আসে সরকারি জমি জবরদখলের ঘটনা৷

সকাল থেকে আদালত সংলগ্ন সরকারি জায়গায় গড়ে ওঠা বেআইনি ক্লাবঘর ভাঙার কাজ শুরু করল জেলা প্রশাসন৷

জেলাশাসকের প্রশ্নের উত্তরে কয়েকজন ক্লাব সদস্য দাবি করেন, ক্লাবে সম্পাদক কেউ নেই, এমনকি নামকরণও হয়নি৷ বছর ২০ আগে ক্লাবঘরটি তৈরি হয়েছে এবং নাকি সেই ঘর নির্মাণের জন্য তৎকালীন পুলিশ সুপারের মৌখিক অনুমতি নেওয়া হয়েছিল৷ কিন্তু সরকারি জমিতে নির্মাণের ক্ষেত্রে পুলিশ সুপার অনুমতি দেন কীভাবে? জেলাশাসকের প্রশ্নের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ছিল ক্লাব সদস্যরা, কোনো উত্তর ছিল না তাদের৷ রাজেশ সাহা নামে এক সদস্য বলে ওঠেন, আগে এই জায়গাটি অসামাজিক কার্যকলাপের আখড়া হয়ে উঠেছিল৷ শূকরের দল ঘুরে বেড়াত৷ তাঁরাই ক্লাবঘরের সামনে কালী মন্দির তৈরি করেন৷ এখন এই জায়গায় আর কোনও অসামাজিক কাজকর্ম হয় না৷ মানুষও শান্তিতে রয়েছেন৷ তবে তাঁদের কথায় কোনও গুরুত্ব দিতে রাজি হননি জেলার প্রশাসনিক প্রধান৷ তিনি সদস্যদের পরিষ্কার জানিয়ে দেন, তিন-চারদিনের মধ্যে ক্লাবঘরের যাবতীয় সামগ্রী সরিয়ে নিতে হবে ৷ তা না হলে প্রশাসনের তরফ থেকে ক্লাবঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে৷

তখনই জেলাশাসককে আধিকারিকরা জানান, শুধু এখানে নয়, প্রশাসনিক আরেকটি ভবনকেও কার্যত দখল করে তৈরি হয়েছে একাধিক দোকানপাট৷ সব শুনে জেলাশাসক বলেন, সরকারি জমি দখল করা তিনি কিছুতেই মানবেন না৷ সবাইকে নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হবে৷ তার মধ্যে দখলকারীরা নিজেদের জিনিসপত্র সরিয়ে নিলে ভালো, তা না হলে সব ভেঙে দেওয়া হবে৷ সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ’দেখুন না কী কী হয়৷’’


#DigitalDesk #Misc #Malda

বিজ্ঞাপন

MGH.jpg
পপুলার
1

চাল পাচার করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল পুরকর্মী

চাল পাচার করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল পুরকর্মী
2

তিন দিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত দশ, শহরে খোলা শপিংমল

তিন দিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত দশ, শহরে খোলা শপিংমল
3

ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত মালদার নেতাজি কলোনি, মোতায়েন পুলিশ

ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত মালদার নেতাজি কলোনি, মোতায়েন পুলিশ
4

চকলেটের প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ব্যক্তি

চকলেটের প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ব্যক্তি
5

পরীক্ষায় প্রতিদিন প্রায় ৫০ শতাংশ পজিটিভ, বেড বাড়ানো হচ্ছে মেডিকেলে

পরীক্ষায় প্রতিদিন প্রায় ৫০ শতাংশ পজিটিভ, বেড বাড়ানো হচ্ছে মেডিকেলে
Earnbounty_300_250_0208.jpg
টাটকা আপডেট