খড় খেয়েছে গোরু, রতুয়ায় খণ্ডযুদ্ধ
f.jpg

খড় খেয়েছে গোরু, রতুয়ায় খণ্ডযুদ্ধ

বাড়িতে ঢুকে খড় খেয়ে নিয়েছিল প্রতিবেশীর গোরু৷ এই সামান্য কারণে ৩ প্রতিবেশীর উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল গ্রামেরই তিন বাসিন্দার বিরুদ্ধে৷ সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে রতুয়া থানার বাহারাল সংলগ্ন কসবা গ্রামে৷ আহত তিনজনই বর্তমানে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন৷ এই ঘটনায় আক্রান্তদের পরিবারের তরফে তিনজনের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷ ঘটনার তদন্ত শুরু হলেও এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি রতুয়া থানার পুলিশ৷


আক্রান্তদের নাম মহম্মদ আরিফ হোসেন (৪৭), শেখ মোশারফ হোসেন (৩৬) ও মীর মাসুদ আলি (২৪)৷ মাসুদ একটি বেসরকারি বাসে কনডাক্টরের কাজ করেন৷ বাকি দু’জনও পরিবহণ কর্মী৷ দু’জনেই গাড়ি চালক৷ কসবা গ্রামে একই বাড়িতে থাকেন তাঁরা৷ আরিফ ও মোশারফ দুই ভাই, মাসুদ তাঁদের ভাইপো৷ আরিফ সাহেবের বক্তব্য, গতকাল দুপুরে মাসুদের একটি গোরু প্রতিবেশী নইমুদ্দিন শেখের বাড়িতে ঢুকে পড়ে ওই বাড়ির খড় খেয়ে নেয়৷ এনিয়ে দুপুরেই নইমুদ্দিন ও তার বাড়ির লোকজন বাড়িতে এসে ঝামেলা করে যায়৷ তখন তাঁরা অবশ্য কেউই বাড়িতে ছিলেন না৷ বাড়ির লোকজন ওই গোরুটিকে ঘরে বেঁধে রেখেছিলেন৷ সন্ধেয় তাঁরা দুই ভাই কাজ শেষে ঘরে ফিরে গোটা ঘটনা জানতে পারেন৷ রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ মাসুদও কাজ শেষে ঘরে ফিরছিল৷ সেই সময় নইমুদ্দিন সহ তার দুই ছেলে সিরাজুল শেখ ও সেনাউল শেখ রাস্তাতেই মাসুদকে লাঠিসোটা নিয়ে মারধর করতে শুরু করে৷ মাসুদকে আক্রান্ত হতে দেখে তাঁরা দুই ভাই ছুটে যান৷ তখন নইমুদ্দিনরা তাঁদের উপরেও হাঁসুয়া ও লাঠি নিয়ে হামলা চালায়৷ তাঁদের সবার মাথা ফাটে৷ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হাঁসুয়ার কোপ পড়ে৷ গ্রামবাসীরাই তাঁদের হামলার হাত থেকে উদ্ধার করেন৷ রাতে তাঁদের স্থানীয় রতুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেখান থেকে তাঁদের মালদা মেডিকেলে রেফার করা হয়েছে৷ এই ঘটনায় তাঁরা নইমুদ্দিন ও তার দুই ছেলের বিরুদ্ধে রতুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন৷

প্রতীকী ছবি সৌজন্যে পিক্স অ্যাবে।

রতুয়া থানার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হলেও এখনও অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়নি৷ তাদের খোঁজে এদিন সকালে পুলিশ ওই গ্রামে গিয়েছে৷


হেডলাইন

প্রতিবেদন

ডিজিট্যাল যুগে বাধ সাধে নি লন্ঠন, যমজ বোনের সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকে

বিদ‍্যুৎ পরিষেবা পেলেও আর্থিক সঙ্কট থাকায় বকেয়া বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বাধ্য হয়েই তিন বছর ধরে লন্ঠনের আলোতেই পড়াশুনা চালিয়েছেন...

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.