মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে

মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে

মালদা শহর যেন বিজ্ঞাপনে মুখ লুকিয়েছে। শহরের প্রধান রাস্তাঘাট কিংবা অলিগলি, চোখ মেললেই বিজ্ঞাপনের ডালি৷ নজরদারির কেউ নেই৷ তাই বিজ্ঞাপনে ঢাকা পড়েছে শিশুদের মনোরঞ্জনও। শিশুদের মনোরঞ্জনের জন্য শহরের বাঁধ রোডের প্রতিটি দেওয়ালে আঁকা হয়েছিল ছবি৷ কার্টুন চরিত্র থেকে পৌরাণিক কাহিনি উঠে এসেছিল সেই সব ছবিতে৷ একসময় পার্ক কিংবা সুইমিং পুলে শারীরিক কসরত করতে যাওয়ার পথে বাচ্চাদের টানে অভিভাবকদের হাত থমকে যেত৷ কিন্তু এখন সেই সব ছবির উপর জায়গা নিয়েছেন যাদুকর এ সরকার৷ তাঁর বিজ্ঞাপনে মুখ ঢেকেছে সেই সব ছবি৷ কে সেই বিজ্ঞাপন লাগানোর অনুমতি দিল, সেখান থেকে পৌরসভার কোনও আয় হচ্ছে কিনা, সেসব কারোর জানা নেই৷ জানেন না খোদ পুরপ্রধানও৷ তবে সব শুনে তিনি এনিয়ে খোঁজখবর নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন৷ সেই খোঁজ পুরসভা কবে নেবে তার দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন আপামর শহরবাসী৷


ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালীন কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরির উদ্যোগেই বাঁধ রোডের দেওয়ালগুলিতে শিশুদের মনোরঞ্জনের জন্য বিভিন্ন ধরণের ছবি আঁকা হয়েছিল৷ শুধু শিশুরা নয়, সেই সব ছবি উপভোগ করতেন বড়োরাও৷ সেকথাই শোনা গিয়েছে শহরের এক বাসিন্দা মানিক ঘোষের গলায়৷ তিনি বলেন, তাঁর মতো অনেকেই প্রতিদিন বাঁধ রোডে প্রাতর্ভ্রমণ করে থাকেন৷ ক্লান্ত হয়ে গেলে রাস্তার ধারে থাকা বেঞ্চগুলিতে বসেন৷ সেখান থেকেই তাঁদের সবার নজরে পড়ে এই সব ছবি৷ বাচ্চারাও এই সব ছবি পছন্দ করে৷ অথচ সেই ছবিগুলির উপরে বিজ্ঞাপনী পোস্টার সেঁটে দেওয়া হয়েছে৷ কে বা কারা, কার অনুমতিতে এই পোস্টার মেরেছে তা তাঁদের জানা নেই৷ বলা হচ্ছে, দুঃস্থ শিশুদের জন্যই ওই যাদুকর নাকি টাউন হলে শো করবেন৷ কিন্ত সেই যাদুকরের পোস্টার শিশুদের মনোরঞ্জনের উপর সাঁটা হল কেন? প্রশ্ন মানিকবাবুর মতো আরও অনেকেরই৷ সম্প্রতি মালদা শহরকে গ্রিন সিটির আওতায় এনেছে পুর কর্তৃপক্ষ৷ শহরকে শুধু সবুজ করাই নয়, শহরের সৌন্দর্যায়নের জন্যও খরচ করা হচ্ছে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা৷ কিন্তু সেই শহর এভাবে দৃশ্যদূষণে জর্জরিত কেন? কেউ কেউ বলছেন, এতে প্রতি বছর পুরসভার কোটি টাকা উপার্জন হচ্ছে৷ উত্তরে পুরপ্রধান নীহাররঞ্জন ঘোষ বলেন, ওই ছবিগুলি খুব গুরুত্ব দিয়ে তৈরি হয়নি৷ তবুও সেই সব ছবির উপর যদি যাদুকরের পোস্টার সাঁটা হয়ে থাকে তবে কে বা কারা সেই বিজ্ঞাপন ব্যবহার করল, কে অনুমতি দিল, তা তিনি খোঁজ নিয়ে দেখছেন৷ এতে যদি কারোর বিরুদ্ধে দোষ প্রমাণিত হয় তবে তাঁরা আইনগত ব্যবস্থা নেবেন৷ পুরপ্রধান আশ্বাস দিয়েছেন, ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ কিন্তু সেই ব্যবস্থা কবে গৃহীত হবে তা জানা নেই৷ সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন শহরবাসী৷

#DigitalDesk #Misc

হেডলাইন

প্রতিবেদন

কোয়রান্টিন সেন্টারে জন্মদিনের পার্টি, নজির গড়ল দীপান্বিতা

জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বন্ধুদের বাড়িতে ডেকে খাওয়ানো নয়, পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে খাবার বিতরণ করে নজির সৃষ্টি করল ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী। গত...

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.