বিজ্ঞাপন

মহানন্দার উজান স্রোতে ভবানীপুরে অশনির ঘণ্টা বাজছে

ফি বছর বর্ষায় বেড়ে যায় মহানন্দার জলস্তর। স্রোতের আওয়াজ ঘুমন্ত গ্রামবাসীদের কানের পর্দায় যেন ধাক্কা দেয়৷ এবারও বেড়েছে মহানন্দার জল৷ খানিকটা বিপজ্জনকভাবেই৷ স্রোতের তোড়ে ঘুম উড়েছে ৩৫০ ঘরের ভবানীপুর গ্রামের। জেলার চাঁচল-১ নম্বর ব্লকের খরবা পঞ্চায়েত এলাকার সবকটি গ্রাম নদীর এক পাড়ে। ব্যতিক্রম শুধু এই ভবানীপুর। হাট-বাজার, রেশন দোকান, পঞ্চায়েত, চিকিৎসা, অফিস-আদালত সবকিছুর জন্যই নদী পেরোতে হয় গ্রামবাসীদের। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার তাঁদের নিত্যদিনের সঙ্গী। খিদিরপুর-ভবানীপুর ঘাটে মহানন্দা নদীর উপর কোনও সেতু না থাকায় গ্রামের প্রায় ১,২০০ মানুষের একমাত্র ভরসা খেয়ামাঝি।



সম্প্রতি ওই এলাকার জগন্নাথপুরে নৌকাডুবিতে প্রাণ হারিয়েছেন বেশ কয়েকজন৷ সেই ঘটনার পরেও হুঁশ ফেরেনি প্রশাসনের। লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই নৌকাতে যাতায়াত করছেন বহু মানুষ। নৌকায় থাকছে সাইকেল কিংবা মোটরবাইকও৷ এক গ্রামবাসী মহম্মদ ইয়াসিন বলেন, গ্রামে প্রায় ১,২০০ জন মানুষের বাস। প্রতিদিন নদী পেরিয়ে চাঁচলে যেতে হয় আমাদের। গ্রীষ্মকালে হাঁটুজল থাকলেও বছরের বেশীরভাগ সময় মহানন্দায় ভরা জল৷ বর্ষা আসলে নদী ফুলেফেঁপে ওঠে৷ নদী পারাপারের একমাত্র ভরসা নৌকা। নৌকাডুবির পর প্রশাসন ঘাটগুলি বন্ধ করায় নিজেদের উদ্যোগে নৌকার ব্যবস্থা করে গ্রামবাসীরা জীবিকা নির্বাহ করছে। ভবানীপুর গ্রামের বধূ চন্দনা দাস, মমতাজ বেগম, জবা দাসের দাবি, প্রতিদিনই নদীর জল বাড়ছে৷ আতঙ্কে আমরা নদী পেরচ্ছি না। হঠাৎ কোনও ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়লে বা দুর্ঘটনা ঘটলে সঠিক সময়ে নৌকা পাওয়া যায় না। প্রসূতিদেরও কোনও সুরক্ষা নেই এখানে। প্রশাসনের কাছে তাঁদের দাবি, অবিলম্বে সর্বক্ষণ নৌ-চলাচল ও সুরক্ষার জন্য লাইফ জ্যাকেট প্রদান করা হোক।



গ্রামের এক মাঝি জানান, যাত্রী সুরক্ষার বিষয়ে প্রশাসনের তরফে তাঁদের কোনও নির্দেশ বা প্রয়োজনীয় সামগ্রী দেওয়া হয়নি। দুর্ঘটনা যে কোনও সময় ঘটতে পারে। কিন্তু সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই নৌকায় তাদের পারাপার করছেন।


[ আরও খবরঃ জলের প্রবল তোড়ে তলিয়ে গেল টাঙন নদীর বাঁধ ]



চাঁচল-১ পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি, সেচ ও সমবায় দফতরের কর্মাধ্যক্ষ শাহাজান আলম বলেন, ওই গ্রামের বাসিন্দাদের যাতায়াতের ভরসা একমাত্র নৌকা। বর্ষায় নদীতে যখন প্রচুর জল থাকে তখন সমস্যা আরও তীব্র হয়। তবু প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয় সবাইকে। যাত্রী সুরক্ষা ও অতিরিক্ত নৌ-ব্যবস্থার জন্য চাঁচলের মহকুমাশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে।

এবিষয়ে মহকুমাশাসক সব্যসাচী রায় বলেন, ওই গ্রামের মানুষের নদী পারাপারে সুরক্ষার জন্য পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট ও বয়ারের জন্য নির্দেশ দেওয়া হবে বিডিওকে। ফেরিঘাটটির ডাক না হলে তারও ব্যবস্থা করা হবে।

বিজ্ঞাপন

MGH
পপুলার
1

স্থান বদলে শুরু হল মালদা বইমেলা, চলবে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত

2954

স্থান বদলে শুরু হল মালদা বইমেলা, চলবে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত
2

মালদায় শুরু করোনা টিকাকরণ, প্রথম টিকা পেলেন কৃষ্ণা

607

মালদায় শুরু করোনা টিকাকরণ, প্রথম টিকা পেলেন কৃষ্ণা
3

অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মালদায় এল করোনা ভ্যাকসিন

1180

অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মালদায় এল করোনা ভ্যাকসিন
4

বাসের জন্য নতুন স্টপেজ রথবাড়িতে

5913

বাসের জন্য নতুন স্টপেজ রথবাড়িতে
5

করোনার বিষ দাঁত ভেঙে শুরু হচ্ছে বইমেলা

749

করোনার বিষ দাঁত ভেঙে শুরু হচ্ছে বইমেলা
Earnbounty_300_250_0208.jpg
At the Grocery Shop
টাটকা আপডেট

সাবস্ক্রিপশন

স্বত্ব © ২০২০ আমাদের মালদা

  • Facebook
  • Twitter
  • Instagram
  • YouTube
  • Pinterest
  • RSS