মিড ডে মিল ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল

মিড ডে মিল ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল

পঞ্চায়েত ব্যবস্থার পরে এবারে মিড ডে মিল। ভারতের উপর আস্থা রেখে শিশুদের পুষ্টির সঠিক যোগান দিতে প্রতিবেশি রাষ্ট্র গণপ্রজাতান্ত্রিক বাংলাদেশের ২৩ জনের একটি প্রতিনিধিদল রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে দেখলেন মিড-ডে মিল ব্যবস্থা৷ এদিন তাঁরা মালদার বেশ কয়েকটি বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। তাঁদের পর্যবেক্ষন এখানেই থেমে নেই, বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলের খাবারও তাঁরা খেয়েও দেখেন৷ পরে তাঁরা জেলা প্রশাসনিক ভবনে একটি বৈঠকে অংশ নেন৷ মূলত রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত বিদ্যালয়গুলিতে মিড-ডে মিল ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতেই বাংলাদেশি প্রতিনিধি দলটি গত ১৭ জুলাই ভারতের মাটিতে পা রেখেছেন৷ আগামী ২৩ জুলাই পর্যন্ত দলটি রাজ্যে থাকবে



বাংলাদেশি প্রতিনিধি দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন সে দেশের যুগ্ম সচিব তথা বাংলাদেশ সরকারের প্রাইমারি ও মাস এডুকেশন দপ্তরের অধীন 'স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম ইন প্রভার্টি প্রোন এরিয়াস'-এর প্রকল্প অধিকর্তা রামচন্দ্র দাস৷ সেই দলে রয়েছেন জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি প্রকল্পের বাংলাদেশের প্রতিনিধি ক্রিস্টা রাডের সহ সুশীল সমাজ, শিক্ষক, বিদ্বজ্জন,জনপ্রতিনিধি, শিশুদের নিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিনিধি এবং প্রশাসনিক কর্তারা৷ এদিন সকালে তাঁরা সবাই জেলার কয়েকটি বিদ্যালয়ে যান৷ সেখানে কিভাবে মিড ডে মিল রান্না করা হচ্ছে তা খতিয়ে দেখেন৷ রান্না করা খাবারের মান ও স্বাদ তাঁরা নিজেরাই খেয়ে দেখেন৷

প্রকল্প অধিকর্তা রামচন্দ্রবাবু সংবাদমাধ্যমকে জানান, বাংলাদেশে দরিদ্র প্রধান এলাকায় তাঁরা 'স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম' নামে একটি প্রকল্প চালু করেছেন ৷ ওই প্রকল্পে তাঁরা প্রাথমিক স্কুলের পড়ুয়াদের হাই এনার্জি বিস্কুট , কেক অথবা শুকনো খাবার দেন ৷ এখন তাঁরা পড়ুয়াদের রান্না করা খাবার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ৷ পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই পড়ুয়াদের রান্না করা খাবার দেওয়া হচ্ছে ৷ রান্না করা খাবার দেওয়ার ক্ষেত্রে কি কি সমস্যা, কি সম্ভাবনা, সেসব খতিয়ে দেখতেই তাঁরা এদেশে এসেছেন ৷ এর আগে তাঁরা ২৪ পরগণা, বীরভূমে যান ৷ গতকাল তাঁরা মুর্শিদাবাদের কয়েকটি বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন ৷ শনিবার তাঁরা মালদায় এসেছেন ৷ এদেশ থেকে অভিজ্ঞতা সংগ্রহ করে তাঁরা নিজেদের দেশে তা কাজে লাগাতে চান ৷ তাঁদের দলে বাংলাদেশের একাধিক জেলা থেকে প্রতিনিধি নিয়ে এসেছেন ৷

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এদিনের বৈঠকের নেতৃত্ব দেন জুডিশিয়াল মুন্সিখানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক হেমন্ত ঘোষ৷ এদিনের বৈঠকে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে বেশ কিছু প্রশ্ন উঠে আসে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, যেখানে বাজারের দাম প্রায় প্রতিদিন ওঠানামা করে, সেখানে মিড ডে মিলের রান্নায় ব্যবহৃত শাকসব্জীর দাম কিভাবে আগে থেকে ঠিক করা হয় ? জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই জেলার অনেক বিদ্যালয়ের নিজস্ব সব্জী বাগান রয়েছে৷ মিড ডে মিলের সব্জি সেই বাগান থেকেই সংগ্রহ করা হয়৷ এছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে মূল্য পরিবর্তনশীল বাজারের কথা চিন্তাভাবনা করেই মিড ডে মিলের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয়৷ প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদা জেলায় মিড ডে মিল নিয়ে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলটি অত্যন্ত খুশি৷ বিশেষত মিড ডে মিলের রান্নায় সব্জির যথাযথ ব্যবহার খুশি করেছে ওই দলে থাকা বিশ্ব খাদ্য সংস্থার প্রতিনিধি সহ বাকি সবাইকে৷

#DigitalDesk #Misc #Education

হেডলাইন

প্রতিবেদন

মহানন্দার উজান স্রোতে ভবানীপুরে অশনির ঘণ্টা বাজছে

ফি বছর বর্ষায় বেড়ে যায় মহানন্দার জলস্তর। স্রোতের আওয়াজ ঘুমন্ত গ্রামবাসীদের কানের পর্দায় যেন ধাক্কা দেয়৷ এবারও বেড়েছে মহানন্দার জল৷ খানিকটা..

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.