বিজ্ঞাপন

ঋদ্ধ ঋষি

লোকগীতিকেই প্রাণ ভেবে জড়িয়ে ধরে হেঁটে চলেছে ছেলেটি। আমাদের পাশের বাড়ির হাসিখুশি ছেলেটি এখন বিখ্যাত গায়ক - ঋষি চক্রবর্তী। বাবা দীপক চক্রবর্তী ও মা জয়শ্রী চক্রবর্তী’র আদরের ঋষি’র ভিত গৌরব চাঁচল সিদ্ধেশ্বরী ইন্সটিটিউশন। গুরু – আর্য চৌধুরি, কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্য এবং গ্রামীণ সমস্ত শিল্পীর আশিস ও শিক্ষাই তাঁকে ভবিষ্যতের চড়াই উতরাই পার করিয়ে দেবে বলে বিশ্বাস। ঋষি, মাটি ভালোবাসে। তাই যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে ‘আপনার পরিচয়’? হেসে উত্তর দেয় – ‘লোকে বলে শিল্পী। আমিও ভাবি তাই-ই’।


Rishi Chakraborty

সাক্ষাৎকার সুদেষ্ণা মৈত্র

সবার আগে জানতে চাই যে এখন ঠিক কতটা ব্যস্ততা জীবনে সবদিক ঘিরে?

আসলে আমি খুব আনন্দে থাকি কাজ করার সময়। তাই কতটা ব্যস্ত আছি বুঝতে পারি না। আশেপাশের লোকে হয়তো ভাববে আমি ভীষণ ব্যস্ত, কিন্তু আমি তখন কাজে মেতে আছি বলা যায়।

ঋষি চক্রবর্তী, চাঁচলের হাসিখুশি মিষ্টি পাশের বাড়ির ছেলেটা নাকি স্বনামধন্য রাশভারী মুখ না দেখেই অটোগ্রাফ দিতে থাকা ছেলেটা?

আমাকে যারা দেখছে তারাই ভালো বলতে পারবে। তবুও কেউ যদি জানতে চায় কোনটা আমি সেক্ষেত্রে চাঁচলের হাসিখুশি ছেলেটাই বলব।

আচ্ছা সারেগামাপা অবধারিতভাবে একটা বড়ো মঞ্চ মুখ চিনিয়ে দেওয়ার। কিন্তু তারপর ইন্ডাস্ট্রি ঠিক কতটা সাহায্য করে তাদের উঠে আসতে?

একজন শিল্পীর সত্তাটিকে চিনিয়ে দেয় সারেগামাপা। এটুকুই তো অনেক! এরপরে সেই শিল্পী কী করবে, কতদূর এগোবে সেটা একান্তভাবেই নিজের দায়িত্ব হওয়া উচিত। ইন্ডাস্ট্রি যে মুখুটুকু চিনতে পেরে প্রথমেই দরজা দেখিয়ে দেয় না এটাই একপ্রকার সাহায্য করা বলা যায়।

একদম ঠিক। আচ্ছা লোকগান আপনার বেস। আপনার প্রাণের ঈশ্বর বলা যায়। কিন্তু একটা বিরাট অফার পেলেন যেখানে আপনার অপছন্দের ধরনটা নিয়েই গাইতে বলা হল তখন কী করবেন?

আমার কাছে সব গানই ভালো। তবে লোকগীতিতে যে আনন্দ পাই আর কোনো ধরনের গানে সেটা পাই না। কেউ আমায় অফার করলে না বলব না। বরং তাকেই ভেবে দেখতে বলব যে, তিনি কি এই গানের জন্য ঠিক গায়ক নির্বাচন করেছেন?

‘কালিকাপ্রসাদ’-এই নামটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ ঋষি চক্রবর্তী’র কাছে, প্রাণখোলা উত্তর চাই।

এরকম প্রশ্ন যে আমার জীবনে এত তাড়াতাড়ি আসবে সেটা কল্পনা করিনি... এরকম একজন গুরু পেয়ে সত্যি ধন্য, যে শুধু গান গাইতে বলে না, গানকে ভালবাসতে বলে, গান নিয়ে এগোতে বলে, সবাইকে একসাথে নিয়ে চলতে শেখায়... কলকাতার বুকে এরকম শিল্পী খুব কম রয়েছে যারা নতুনদের খুব সহজে কাজের সুযোগ করে দেয়... গ্রাম থেকে উঠে আসার পর কলকাতার মতো শহরে এই একটাই মাত্র খাঁটি মানুষের সাথে আমার পরিচয় হয় এখানে আমার সমস্ত কাজ মানেই, আর্য চৌধুরি এবং কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্য। এঁনারা দুইজন না থাকলে ঋষির কাজেরও গুরুত্ব নেই আমার সব কাজের মধ্যেই তাঁরা রয়েছেন।

সারেগামাপা শেষ। যে যার নিজের জীবনে ব্যস্ত। তবু মন খারাপে বা খুব উচ্ছ্বাসে যে তিনটি শো-এ থাকা বন্ধুর মুখ মনে পড়ে যায় তাদের নাম?

সাইরাজ, তীর্থ দা, অদ্রিজ।

আর অদিতি মুন্সী?

জানতাম এধরনের একটি প্রশ্ন আসবেই আমার কাছে। অদিতিদি’ও খুব প্রিয়। কীর্তনকে এভাবে উপস্থাপন করাও রীতিমতো সাহসের ব্যাপার। এই সাহস অবশ্যই কালিকাদা’ই তৈরি করে দিয়েছেন।

একজন মফসসল থেকে উঠে আসা ছেলে অনেক মফসসলী শিল্পীসত্তার কাছে অসম্ভব প্রেরণা’র মতো। রিয়্যালিটি শো’ই কি একমাত্র পথ তাদের উঠে আসার ক্ষেত্রে?

আমাদের গ্রামে গঞ্জে এতো ভালো গাইয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে যে তারা সুযোগ পেলে নিজের জাত চিনিয়ে দিতে পারে। রিয়্যালিটি শো নিজের যোগ্যতা দেখানোর একটা মঞ্চ নিশ্চিতভাবে। কিন্তু এটাই একমাত্র রাস্তা নয়। নিজের কাজ ভালোবেসে করে যাও, ডাক ঠিক আসবে।

85 views

বিজ্ঞাপন

MGH.jpg
পপুলার
1

এল ২৯ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন, শীঘ্রই শুরু ১৮-৪৫ টিকাকরণের কাজ

এল ২৯ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন, শীঘ্রই শুরু ১৮-৪৫ টিকাকরণের কাজ
2

করোনায় মৃত ইংরেজবাজারের জয়েন্ট বিডিও

করোনায় মৃত ইংরেজবাজারের জয়েন্ট বিডিও
3

চাল পাচার করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল পুরকর্মী

চাল পাচার করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল পুরকর্মী
4

তিন দিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত দশ, শহরে খোলা শপিংমল

তিন দিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত দশ, শহরে খোলা শপিংমল
5

ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্