‘ক্লিক’ পেরিয়ে সৌম্য’র চেম্বারে

‘ক্লিক’ পেরিয়ে সৌম্য’র চেম্বারে


ওয়েবডেস্ক থেকে


১২ মিনিট ২৮ সেকেন্ড ব্যাস এটুকু দৈর্ঘ্যও যথেষ্ট হতে পারে যে কোনো চলচ্চিত্রের ‘দাদা সাহেব ফালকে’ পুরস্কার সাফল্যের মাপকাঠি – এমনটাই করে দেখালেন মালদা’র গর্ব সৌম্য চৌধুরি তাঁর ‘ক্লিক’ নামের শর্টফিল্ম সৃষ্টির মধ্যে দিয়ে। বাবা অরুণ চৌধুরি ও মা শুভ্রা চৌধুরি’র সন্তান সৌম্য। বঙ্গালুরুতে তিনি এবং তাঁর স্ত্রী দেবলীনা’র মিলিত প্রচেষ্টায় তৈরি এই ফিল্ম গত ৩০ এপ্রিল ২০১৭ ‘সপ্তম দাদা সাহেব ফালকে’ পুরস্কারটি তাঁর ঝুলিতে ভরতে সক্ষম হয়েছে। মালদাবাসীর কাছে যা ভীষণরকম গর্বের বিষয় এবং সানিপার্কের ছেলে সৌম্য নিজেও খুব খুশি জেলার মুখ উজ্জ্বল করতে পেরে।

আপনার কাজের মধ্যে একটা শিকড় খোঁজার ছোঁয়া লক্ষ করা যায়। মালদা সেক্ষেত্রে কতটা প্রভাব ফেলেছে?

সৌম্যঃ মালদা ছেড়েছি ২০০১ সালে। তবু আজও বছরে একবার মালদা ফিরে আসি। আমার ছোটোবেলা, বড়ো হওয়া সেসব গন্ধ এখনো জীবিত এবং প্রভাব ফেলে বই-কি।

‘কৈবল্য’ নামে শর্টফিল্মে দেখা যাচ্ছে লোকসংস্কৃতির একটি দিক তুলে ধরেছেন। মালদা নিয়ে তেমন কোনো ভাবনা কাজ করে?

সৌম্যঃ আমি ‘কৈবল্য’ শর্টফিল্মে পুরুলিয়ার লোকসংস্কৃতি তুলে ধরতে চেয়েছি। মালদা নিয়েও ইচ্ছা আছে রামকেলির উপরে।




সৌম্য চৌধুরি পরিচালিত কয়েকটি শর্টফিল্ম

একটি মানুষ নাচতে ভালোবাসে কিন্তু তার পা ভেঙে গেল - এমন চিন্তা কেন স্থান পেল কাজে?

সৌম্যঃ মানুষ যা চায় তা সবসময় পায় না তাই ওরকম দৃশ্য তৈরি করেছি ‘নোডো’ নামে ফিল্মটায়। তবু আশা বেঁচে থাকে। সেটাই বাঁচিয়ে রাখে সব।

আর তাই হলুদ প্রজাপতি এক মুষড়ে পড়া মানুষের চারপাশে ঘোরে?

সৌম্যঃ হ্যাঁ ওই দৃশ্যটা দিয়ে এবং ব্যক্তিগতভাবেও আমি মানুষের ছোটো ছোটো ইচ্ছেগুলোকে গুরুত্ব দিতে ভালোবাসি। সেখান থেকেই মানুষ বাঁচার রসদ খুঁজে পাবে মনে করি। যেমন ‘ক্লিক’ এও একজন বাচ্চা মেয়ের হাতে থাকা তুষারাবৃত মানুষের ছবি অ্যাড্রিয়ানকে আবার বাঁচতে শেখাল।

পরবর্তী কাজের বিষয় কী?

সৌম্যঃ আমি আর আমার স্ত্রী দেবলীনা দু'জনে মিলে একটা টিভি শো নিয়ে কাজ করছি। যেটা আগামী দু'বছরের মধ্যে পোগো চ্যানেলে দেখানো শুরু হবে। স্টোরি এই যে, পৃথিবী সেটা সম্পূর্ণ আমাদের তৈরি করা। বেশ কিছু প্রাণী ও একজন মানুষের মাধ্যমে এডুকেশন হিস্টরি উঠে আসবে গল্পের ছলে।

এতো দারুণ কাজ! আর ‘ক্লিক’ আমরা দেখতে পাচ্ছি কবে?

সৌম্যঃ কলকাতায় শর্টফিল্মের ফেস্টিভালটা পেরোলেই ইউটিউবে ছেড়ে দেব ভেবেছি।

অ্যানিমেটেড ফিল্ম বুদ্ধির প্রখরতা, মাথার কারুকার্য সবকিছুর দারুণ একটা চিত্র তুলে ধরতে সক্ষম। প্রাণ দিতে পারে কি?

সৌম্যঃ অ্যানিমেশন একটা মাধ্যম। বাজেট, কোয়ালিটি আর সময় এই তিনটে – ঠিকভাবে ব্যবহার করলেই ‘অবতার’ ফিল্ম তৈরি করা যায়। সেখানে চরিত্ররা অ্যানিমেটেড হয়েও জীবন্ত। ভীষণ এক্সপেরিমেন্টাল, ইনটারেস্টিং ও অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে কাজ করার এই জায়গা অ্যানিমেশন। কিন্তু ভারতবর্ষে এখনও বেশিরভাগ লোক অ্যানিমেটেড ফিল্ম মানেই বোঝে সেটা বাচ্চাদের। এই ধারণা থেকেই কতও ভালো কাজ – লোকেরা দেখতে পায় না। আমার অনুরোধ যেন মিডিয়া সঠিকভাবে অ্যানিমেশনের ভালো লাগা তুলে ধরে, ‘বাচ্চাদের জন্য’ এই ভাবনা থেকে ভারতবাসীকে বের করে আনার একটা চেষ্টা চালায়।

#SudeshnaMaitra #DigitalDesk

হেডলাইন

প্রতিবেদন

মহানন্দার উজান স্রোতে ভবানীপুরে অশনির ঘণ্টা বাজছে

ফি বছর বর্ষায় বেড়ে যায় মহানন্দার জলস্তর। স্রোতের আওয়াজ ঘুমন্ত গ্রামবাসীদের কানের পর্দায় যেন ধাক্কা দেয়৷ এবারও বেড়েছে মহানন্দার জল৷ খানিকটা..

বিজ্ঞাপন

ফলো করুন
  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest

সব খবর ইনবক্সে!

প্রতিদিন খবরের আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Aamader Malda Worldwide, the only media of your hometown and its thoughts. Here you can share and express your views and thoughts and you'll get here the essence of MALDAIYA CULT...

You can reach us via email or phone.  P +91 3512-260260  E response@aamadermalda.in

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
  • RSS

Copyright © 2020 Aamader Malda. All Rights Reserved.